মেসিকে ছুঁতেই দিতে হবে ১০ লাখ? শতদ্রুর বাড়িতে মিলল ছাদ-মাঠ ও সুইমিং পুল, ঘনীভূত ২২ কোটির রহস্য!

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসিকে ঘিরে তৈরি হওয়া নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার তদন্তে এবার বিস্ফোরক মোড়। ঘটনার মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তের রিষড়ার বিলাসবহুল তিনতলা বাড়িতে শুক্রবার ম্যারাথন তল্লাশি চালাল পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। তদন্তে কেবল নিরাপত্তা গাফিলতিই নয়, উঠে আসছে ১০০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক দুর্নীতির সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই শতদ্রুর একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ২২ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে।

পুলিশি জেরায় শতদ্রু জানিয়েছেন, প্রভাবশালী মহলের চাপে পড়ে মাত্র ১৫০টি পাসের জায়গায় কয়েক হাজার পাস ইস্যু করতে বাধ্য হন তিনি। অথচ মেসির নিরাপত্তা টিম স্পষ্ট জানিয়েছিল, ফুটবলারকে ছোঁয়া যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক প্রভাবশালী ক্রীড়ামন্ত্রী খোদ মেসিকে কার্যত টেনে ধরেন, যা এখন সিটের স্ক্যানারে।

তদন্তকারীদের দাবি, মেসির সাথে ছবি তোলার নামে ১০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছিল, যার কোনো বৈধ নথি নেই। এমনকি ৬৬ হাজারি স্টেডিয়ামের অর্ধেক টিকিট বিক্রির কোনো হিসেব মেলেনি। তল্লাশিতে শতদ্রুর বাড়িতে এক তলায় সুইমিং পুল এবং ছাদে ফুটবল মাঠ দেখে তাজ্জব গোয়েন্দারা। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, এবং এর পেছনে আর কোন বড় মাথা রয়েছে, তা জানতে মরিয়া বিধাননগর পুলিশ।