“বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই!” কুয়াশায় সভা বাতিল হলেও ফোনে বাংলার ‘মহা জঙ্গলরাজ’ নিয়ে গর্জে উঠলেন মোদী।

১. ‘মহা জঙ্গলরাজ’ থেকে মুক্তি চাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিহারের মানুষ যেভাবে জঙ্গলরাজ উপড়ে ফেলে বিজেপি-কে এনডিএ সরকারকে জনাদেশ দিয়েছে, গঙ্গা নদী সেই জয়ের হাওয়া বিহার থেকে এবার বাংলায় নিয়ে আসবে। তাঁর দাবি:

“এখন পশ্চিমবঙ্গের শিশুরাও বলছে— ‘বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই’। এই রাজ্যেও এখন মহা জঙ্গলরাজ চলছে, যার থেকে মুক্তি দরকার।”

২. ‘গো ব্যাক মোদী’ বনাম ‘গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী’ তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করে মোদী বলেন, যারা বাংলাকে দখল করতে চায় সেই অনুপ্রবেশকারীদের সাদরে গ্রহণ করে তৃণমূল। তিনি প্রশ্ন তোলেন:

তৃণমূল কেন ‘গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী’ না বলে ‘গো ব্যাক মোদী’ বলে?

অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই কি তৃণমূল ভোটার তালিকা যাচাই বা SIR-এর বিরোধিতা করছে?

৩. উন্নয়ন কেন আটকানো হচ্ছে? বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে মুখিয়ে আছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মোদীর বিরোধিতা হাজার বার করুক, কিন্তু রাজ্যের উন্নয়ন কেন আটকানো হচ্ছে? গরিব মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া পাপ।” তাঁর অভিযোগ, এখানকার সরকার কেবল ‘কমিশন’ চায়, তাই হাজার হাজার কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে।

৪. চৈতন্যভূমি ও মতুয়া ভক্তি বক্তব্য শুরু করেন ‘জয় নিতাই’ বলে। নদীয়ার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব স্মরণ করে শ্রীচৈতন্যদেব, হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুর এবং বড়মাকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দেমাতরম’-এর সার্ধশতবর্ষের মাহাত্ম্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

৫. ত্রিপুরার উদাহরণ ও ডবল ইঞ্জিন সরকারের ডাক ত্রিপুরায় ৩০ বছরের বাম শাসন সরিয়ে বিজেপি যেভাবে উন্নয়ন করেছে, বাংলাতেও সেই মডেল কার্যকর করার আশ্বাস দেন তিনি। মোদী বলেন, “তৃণমূল তো বামপন্থীদের সব খারাপ গুণগুলোই নিয়ে নিয়েছে। তাই বিজেপি-কে একবার সুযোগ দিন, ডবল ইঞ্জিন সরকার এলে উন্নয়নের গতি কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।”