১০ কোটিতে ভোলবদল! ঢেলে সাজানো হচ্ছে কামারপুকুর, পর্যটকদের জন্য কী কী সারপ্রাইজ থাকছে?

শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের স্মৃতিধন্য কামারপুকুর ও জয়রামবাটী এবার পর্যটকদের জন্য আরও মনোরম হয়ে উঠছে। সারা বছর দেশ-বিদেশের অগণিত পুণ্যার্থী ও পর্যটক এই পবিত্র ভূমিতে ভিড় জমান। তাঁদের সফরকে আরও আরামদায়ক এবং আধুনিক করতে একগুচ্ছ বড়সড় প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার।
উন্নয়নের খতিয়ান: কী কী বদলাচ্ছে? প্রশাসন সূত্রে খবর, কামারপুকুরের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্য়েই বিপুল অঙ্কের আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে উন্নয়নের অঙ্কটা ৮০ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে গিয়েছে। এক নজরে দেখে নিন কামারপুকুরের নতুন রূপরেখা:
যোগাযোগ ব্যবস্থা: পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হচ্ছে উন্নত মানের রাস্তা।
বাসস্ট্যান্ড ও স্বাস্থ্য: প্রায় ২.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে আধুনিক কামারপুকুর বাসস্ট্যান্ড। এছাড়া ৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ব্লক প্রাইমারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মানোন্নয়ন এবং একটি নতুন হেলথ ইউনিট তৈরি করা হয়েছে।
পর্যটন ও বিনোদন: পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে নতুন ইকোট্যুরিজম পার্ক। এছাড়া ৫ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধুনিক করা হচ্ছে পর্যটন পরিকাঠামো।
মিশন ও হস্টেল: দূর-দূরান্ত থেকে আসা ছাত্র ও ভক্তদের জন্য কামারপুকুর মিশনে তৈরি করা হয়েছে নতুন হস্টেল বিল্ডিং।
সংস্কার জয়রামবাটীতেও: শুধু কামারপুকুর নয়, উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে পাশের জয়রামবাটীতেও। সেখানে সংস্কার করা হয়েছে মা সারদার পুণ্যস্মৃতি বিজড়িত মাতৃমন্দির। স্থানীয়দের দাবি, এই মেগা প্রজেক্টগুলি সম্পন্ন হলে একদিকে যেমন পর্যটনের মান বাড়বে, তেমনই এলাকার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিরও প্রভূত উন্নতি হবে।
প্রশাসনিক বার্তা: রাজ্য সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, কামারপুকুরকে একটি বিশ্বমানের ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, যাতে পর্যটকরা এসে কোনো অসুবিধায় না পড়েন।