‘প্রতিশোধের রাজনীতি’, পাল্টা আক্রমণ RJD-এর! সরকারি স্কুল সামলান আগে, সম্রাট চৌধুরীর ঘোষণায় শুরু তুমুল বাগ্যুদ্ধ

বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী আবারও ঘোষণা করেছেন যে, আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিতে স্কুল খোলা হবে। তাঁর এই দাবি ঘিরে বিহারের রাজনীতিতে ফের পারদ চড়েছে। যদিও তিনি বলছেন, এটি কোনও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়, বরং আদালতের পূর্বের আদেশ।
শনিবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সম্রাট চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, নীতীশ কুমারের সুশাসনের অধীনে আর্থিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে এবং এটি আদালত দ্বারা নির্ধারিত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার তাদের বাড়িতে স্কুল খুলবে।”
উল্লেখ্য, এর আগে পাটনায় এক অনুষ্ঠানে সম্রাট চৌধুরী জানিয়েছিলেন যে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের বাজেয়াপ্ত করা একটি ভবনে স্কুল খোলা হবে। এই সম্পত্তিটি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে, যা এএইচডি (AHD) কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত থাকার কারণে সিবিআই এবং ইডি দ্বারা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। মন্ত্রী জানান, প্রথমে ভবনটি সংস্কার করা হবে।
সম্রাট চৌধুরীর এই বক্তব্য রাজ্যে রাজনৈতিক হট্টগোলের জন্ম দিয়েছে। এনডিএ এবং মহাজোট, বিশেষ করে আরজেডি-র মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হয়েছে। জেডিইউও এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছে। অন্যদিকে, লালু যাদবের সমর্থকরা এটিকে ‘প্রতিশোধের কাজ’ বলে অভিহিত করছেন।
পাল্টা আক্রমণে আরজেডি মুখপাত্র জয় তিওয়ারি বলেছেন, সরকারের উচিত প্রথমে ইতিমধ্যেই নির্মিত সরকারি স্কুলগুলি সঠিকভাবে পরিচালনা করা। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, লালু যাদব কোনও প্রতিশোধমূলক রাজনৈতিক পদক্ষেপে ভয় পাবেন না।