দীপাবলির বাজার মাতানো বাজি, ‘অপারেশন সিঁদুর’ ও ‘রিঙ্কু সিং’-এর আতশবাজির বৈশিষ্ট্য কী?

দীপাবলি উৎসবের প্রাক্কালে গোটা দেশের মতো আলিগড়ের বাজির বাজারও এখন সরগরম। ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন তাদের পছন্দের আতশবাজি কিনতে। তবে এবার আলিগড়ের নুমাইশ গ্রাউন্ডের বাজির বাজারে বিশেষ নজর কেড়েছে দুটি নতুন আইটেম— একটি হলো “অপারেশন সিঁদুর” এবং অন্যটি ভারতীয় ক্রিকেটের তারকা রিঙ্কু সিং-এর নামে তৈরি বাজি। তাদের বিক্রিও হচ্ছে আকাশছোঁয়া।
কী আছে ‘অপারেশন সিঁদুর’ বাজিতে?
স্থানীয় দোকানদার দেবেন্দ্র গুপ্তা জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পর এই বাজি বাজারে চালু হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একটি মাল্টিশট ফায়ারওয়ার্কস। এটি পরপর ২৪০টি শট ছুঁড়তে পারে।
আলোকসজ্জা: এই বাজি বহু উঁচুতে পৌঁছায় এবং সবুজ ও লালের মতো বিভিন্ন রঙের চিত্তাকর্ষক আলো ছড়ায়।
ছক্কার কিং রিঙ্কু সিং এবার আতশবাজিতে
আরেকটি নতুন বাজি বাজারে এসেছে, যার নাম রাখা হয়েছে ভারতীয় দলের নির্ভরযোগ্য ফিনিশার রিঙ্কু সিং-এর নামে। বিশ্বজুড়ে রিঙ্কুর বিখ্যাত ছক্কার কথা মাথায় রেখেই এই বাজি তৈরি করা হয়েছে।
বৈশিষ্ট্য: এটি চিত্তাকর্ষক উচ্চতার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। রিঙ্কুর ছক্কার মতোই এই বাজি আকাশে অনেক উঁচুতে উঠে মন জয় করে নিচ্ছে।
চাহিদা: বাজারে বাজি কিনতে আসা সাধারণ মানুষজন এই দুই নতুন বাজি, বিশেষ করে রিঙ্কু সিং-এর নামে তৈরি আতশবাজিটি আগ্রহের সঙ্গে কিনছেন।
উল্লেখ্য, ভারতীয় ক্রিকেটে রিঙ্কু সিং এখন এক ভরসার নাম। এই মাসের শুরুতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের হয়ে জয়সূচক রানটি করেছিলেন তিনি। এর আগে ২০২৩ সালের আইপিএল-এ গুজরাট টাইটানসের বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে শেষ ওভারে যশ দয়ালের বলে পরপর পাঁচটি ছক্কা মেরে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন রিঙ্কু। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের হয়ে ৩৪ ম্যাচে ৪২.৩০ গড়ে ৫৫০ রান করে তিনি দলের একজন নির্ভরযোগ্য ফিনিশার হিসেবে নিজের জায়গা পাকা করেছেন।
বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের দুই সাম্প্রতিক জনপ্রিয় বিষয় (সামরিক অভিযান এবং ক্রিকেট তারকা)-এর নাম ব্যবহার করে এই বাজিগুলো দীপাবলির বাজারে সহজেই ক্রেতাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।