“পদ্মার ভাঙন পরিদর্শনে গিয়ে ‘বিশাল’ আক্রমণ! শুভেন্দুকে ধুয়ে দিলেন হুমায়ুন কবীর, একহাত নিলেন মমতাকেও!”

পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে তলিয়ে যাওয়া লালগোলার তারানগর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করলেন স্থানীয় বিধায়ক হুমায়ূন কবীর। শুধু বিরোধী দলনেতাই নন, সেই সঙ্গে নিজ দলের নেতা-নেত্রী সহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নিলেন তিনি। হুমায়ূন কবীরের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে মুর্শিদাবাদ জেলা তথা রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক ভাঙনে লালগোলার তারানগর গ্রামের একাধিক বাড়িঘর ও বিস্তীর্ণ এলাকা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। এদিন সেই ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন হুমায়ূন কবীর। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি সরাসরি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বক্তব্য পেশ করেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ূন কবীর শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরাসরি আক্রমণ করেন। পাশাপাশি, তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল যে শুধুমাত্র বিরোধী দলনেতাই নয়, ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ে শাসক দলের একাংশ এবং শীর্ষ নেতৃত্বও যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে, বিধায়কের নিশানায় শুভেন্দু অধিকারী থাকলেও, ঘুরিয়ে তিনি তৃণমূলের নেতা-নেত্রী এবং খোদ মুখ্যমন্ত্রীকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে। ভাঙনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে বিধায়কের এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং নিজ দল ও শীর্ষ নেতৃত্বকে পরোক্ষভাবে আক্রমণ করার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।