পাকিস্তানকে কড়া শাস্তি আইসিসি-র, ফাইনালের আগে নির্বাসন হতে পারে দুই তারকার, কেন করমর্দন এড়িয়ে গেল ভারত?

রবিবার এশিয়া কাপের (Asia Cup 2025) বহু প্রতীক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। তবে মাঠের এই ধুন্ধুমার লড়াইয়ের আগেই মাঠের বাইরে দুই দলের একাধিক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে আইসিসি (ICC)। বিশেষত, পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটার সাহিবজাদা ফারহান ও হ্যারিস রউফকে গুরুতর শাস্তি দিতে পারে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।
গত রবিবার সুপার ফোর পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ চলাকালীন এই দুই ক্রিকেটার মাঠের মধ্যে প্ররোচনামূলক আচরণ করেছিলেন। এর পরেই বিসিসিআই (BCCI) তাদের বিরুদ্ধে আইসিসি-র কাছে অভিযোগ দায়ের করে।
নির্বাসিত হতে পারেন রউফ-ফারহান
আইসিসি-র শুনানিতে যোগ দিতে হলেও সাহিবজাদা ও রউফ নিজেদের আচরণের পক্ষে সাফাই গেয়ে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তবে সূত্রের খবর, তাঁদের সেই দাবি ধোপে টেকেনি। আইসিসি এই দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে। গুরুতর অভিযোগের জেরে তাঁরা নির্বাসিতও হতে পারেন, যা ফাইনালের আগে পাকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা।
পাকিস্তানের এই দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি হল:
হ্যারিস রউফ: ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে এই পেসারের বিরুদ্ধে। এছাড়াও বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের উদ্দেশ্যে প্ররোচনামূলক অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন তিনি। রউফের মোটা অঙ্কের জরিমানা হওয়া নিশ্চিত বলেই জানা গেছে।
সাহিবজাদা ফারহান: অর্ধশতরান করার পর তিনি গ্যালারির দিকে ‘গুলি চালানোর’ ভঙ্গি করেন। যদিও তাঁর দাবি, এটি ভারতীয়দের উদ্দেশ্যে করা হয়নি। তিনি পাখতুন উপজাতির (Pakhtun tribe) মানুষ এবং তাঁদের সমাজে এভাবেই আনন্দ উদযাপন করার রীতি। তবে ঐতিহ্যের দোহাই দিলেও সম্ভবত শাস্তি এড়াতে পারছেন না তিনি।
কী নিয়ে সতর্ক করা হলো সূর্যকুমারকে?
অন্যদিকে, ভারতীয় দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) বিরুদ্ধেও আইসিসি-র কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। এই এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচেই ভারতীয় খেলোয়াড়রা বিপক্ষের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে যান। পাশাপাশি, গ্রুপের ম্যাচের পর পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার শিকার হওয়া পরিবারগুলির উদ্দেশ্যে জয় উৎসর্গ করেছিলেন সূর্যকুমার।
তবে, আইসিসি সম্ভবত তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে ভারতীয় অধিনায়ককে রাজনৈতিক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।