কাপের চেয়েও বেশি কিছু! H-1B ফি বৃদ্ধির আবহে বিশ্বজুড়ে কর্মীবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জয়শঙ্করের বার্তা

ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে রবিবার। ৪১ বছরের এশিয়া কাপের ইতিহাসে এই প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। ৮টি ট্রফি নিয়ে এই টুর্নামেন্টের সফলতম দল ভারত, অন্যদিকে পাকিস্তান কাপ জিতেছে মাত্র দু’বার। তবে, এই বছর শিরোপার লড়াই ছাপিয়ে মাঠের বাইরের বিতর্ক ও আবেগই যেন মূল চালিকাশক্তি।

ট্রফি ছাপিয়ে ‘বিদ্বেষ’ এবং বিতর্ক:
ভারত বনাম পাকিস্তান ফাইনাল এবার কেবল ক্রিকেটীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সম্প্রতি জন্ম নেওয়া একাধিক বিতর্ক।

১. বিসিসিআই-এর অভিযোগ: সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তানি খেলোয়াড় হারিস রউফ এবং সাহিবজাদা ফারহান-এর বিরুদ্ধে ‘বন্দুক স্যালুট’ এবং ‘পতনশীল বিমান’-এর মতো উস্কানিমূলক অঙ্গভঙ্গি করার অভিযোগ তুলে আইসিসি-তে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে বিসিসিআই।

২. হাত মেলানোয় বিতর্কের ঝড়: দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা এই টুর্নামেন্টে দু’বার ম্যাচ শেষে হাত মেলানো এড়িয়ে গেছেন, যা খেলার স্পিরিট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ভারতের তারকা ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছিলেন, পাহেলগামের সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা এই প্রথা ভঙ্গ করেছেন। এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায় যে, পাক খেলোয়াড়রা গ্রিন রুমে দেখা করতে এলেও ভারতীয় দল দরজা বন্ধ করে দেয়।

ভারত ও পাকিস্তানের কাছে বাজি কী?
ভারতের কাছে এই জয় হবে রেকর্ড নবম ট্রফি জয়। কিন্তু বিতর্কের আবহে জয় পেলে তা কেবল ট্রফি নয়, বরং ভবিষ্যতে বড় চ্যালেঞ্জের জন্য দলের আত্মবিশ্বাসকে এক অন্য মাত্রা দেবে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের জন্য বাজি আরও ভারী। মাত্র দু’বার কাপ জেতা পাকিস্তান যদি এই ঐতিহাসিক ফাইনালে ভারতকে হারাতে পারে, তবে তা তাদের সমর্থকদের কাছে বহু বছর ধরে গর্বের মুহূর্ত হয়ে থাকবে। এটি কেবল একটি পদক জেতা নয়, বরং সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে কঠিন পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ। মাঠের ভিতরের উস্কানিমূলক উদযাপন ও বিতর্কের কারণে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি যে ঝুঁকিতে পড়েছে, ফাইনাল জিতে সেই কালিমাও মুছতে চাইতে পারে তারা।

শোয়েব আখতারের ‘আউরা’ ভাঙার বার্তা:
ফাইনালের আগে পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার পাকিস্তান দলকে ভারতের চারপাশের ‘আউরা’ বা শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা ভুলে গিয়ে নির্ভীক ক্রিকেট খেলার আহ্বান জানিয়েছেন। টুর্নামেন্টে এর আগে দু’বার ভারতের কাছে হারলেও, আখতার বাংলাদেশকে হারানোর মতো একই রকম লড়াকু মনোভাব নিয়ে ফাইনাল খেলার জন্য দলকে উৎসাহিত করেছেন। আখতারের পরামর্শ—শুরুতেই উইকেট তুলে ভারতকে চাপে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, “ভারতের খেলা যেমনই হোক না কেন, গৌতম (গম্ভীর), যে আমাদের সঙ্গে খেলেছে, সে তাদের বলবে, ‘এই টিম কা এতবার নেহি’ (এই দলের ওপর সবসময় ভরসা করা যায় না)।”