‘শর্টস আর গেঞ্জি পরে ঘুরতে পারতাম না’, বিয়ের পর কেমন ছিল এষা দেওলের জীবন

বলিউড অভিনেত্রী এষা দেওল এবং তাঁর স্বামী, ব্যবসায়ী ভরত তখতানির বিচ্ছেদের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁদের দাম্পত্য জীবন। প্রায় ১২ বছরের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর ভরত মেঘনা লাখানি নামে এক উদ্যোক্তার সঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এর মাঝেই, এষা তাঁর বই ‘আম্মা মিয়া’-তে শ্বশুরবাড়ির জীবন নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বিয়ের পর বদলে গিয়েছিল এষার জীবন
এষা তাঁর বইয়ে লিখেছেন যে, ২০১২ সালে বিয়ের পর যখন তিনি ভরতের যৌথ পরিবারে থাকতে শুরু করেন, তখন তাঁর জীবন সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছিল। শোবিজ জগতের গ্ল্যামারাস জীবন ছেড়ে এসে তিনি শ্বশুরবাড়ির পরিবর্তিত সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, “আগের মতো হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরে বাড়িতে ঘুরে বেড়াতে পারতাম না। এটি আমার জন্য একটা ধাক্কার মতো ছিল।”
ভালোবাসা ও স্নেহ: শাশুড়ির কাছে ‘তৃতীয় ছেলে’
পোশাকের স্বাধীনতার অভাব থাকলেও এষা স্বীকার করেছেন যে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা খুব স্নেহময়ী ছিলেন। তিনি লেখেন, “আমার শাশুড়ি আমাকে তাঁর তৃতীয় ছেলের মতো আদরে আগলে রেখেছেন।” পরিবারের মহিলারা তাঁদের স্বামীদের জন্য পছন্দের রান্না করতেন, যদিও এষা রান্নার ধারেকাছেও যেতেন না। তিনি মজা করে তাঁর শাশুড়িকে ‘রান্নাঘরের রানি’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, “প্রথম বৌমা হওয়ায়, অনেক আদরে খানিক বাঁদর হয়ে গিয়েছিলাম।”
২০১২ সালে একটি সাদামাটা অনুষ্ঠানে এষা ও ভরতের বিয়ে হয়। তাঁদের দুটি মেয়ে রয়েছে—রাধ্য এবং মিরায়া। বিচ্ছেদের পর দুই মেয়ে মায়ের সঙ্গেই থাকে।