সলমানের ‘চুনরি চুনরি’ গান রিক্রিয়েট বরুণের,ক্ষুব্ধ হয়ে যা মন্তব্য করলেন দর্শকরা!

সলমন খান এবং সুস্মিতা সেন অভিনীত জনপ্রিয় কমেডি ড্রামা ‘বিবি নাম্বার ওয়ান’ ছবির আইকনিক গান ‘চুনারি চুনারি’ নতুন করে তৈরি করা হয়েছে বরুণ ধাওয়ানের আসন্ন ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর জন্য। কিন্তু এই রিক্রিয়েশন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পরই নেটিজেনদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
পরিচালক ডেভিড ধাওয়ানের পুত্র বরুণ ধাওয়ান, তার বাবার মতোই কমেডি ছবিতে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন। ডেভিড ধাওয়ান তার কমেডি ছবিগুলির জন্য সুপরিচিত হলেও, তার পরিচালিত পুরনো ছবিগুলোর নতুন সংস্করণ তৈরিতে তিনি বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। এর আগে তিনি ‘কুলি নাম্বার ওয়ান’ এবং ‘জুড়ুয়া’-এর মতো ছবি পুনরায় তৈরি করেছিলেন, যা বক্স অফিসে আশানুরূপ সাফল্য পায়নি। নব্বইয়ের দশকে গোবিন্দা বা সলমন খান যে কমেডি মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন, তা যে সহজে ভাঙা সম্ভব নয়, ‘চুনারি চুনারি’ গানের রিক্রিয়েশনের ঘটনায় তা আবারও প্রমাণিত হলো।
আগামী বছর ১০ এপ্রিল মুক্তি পেতে চলেছে বরুণ ধাওয়ান, পূজা হেগড়ে এবং ম্রুনাল ঠাকুর অভিনীত ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’। সম্প্রতি এই ছবির একটি ছোট্ট ক্লিপিং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ‘চুনারি চুনারি’ গানের পুনঃনির্মাণ দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ২৬ বছর আগে সলমন ও সুস্মিতা যে উচ্চ মানদণ্ড তৈরি করেছিলেন, তা এই নতুন সংস্করণ ভাঙতে পারেনি।
View this post on Instagram
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেটিজেনরা বরুণ ধাওয়ানের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, “দয়া করে এই গানটির বারোটা বাজাবেন না।” অন্য একজন লিখেছেন, “দয়া করে নাচ কোরো কিন্তু নষ্ট করো না।” পরিচালকের সৃজনশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। একজন লিখেছেন, “পুরনো গানকে রিক্রিয়েট করার মধ্যে কোনো সৃজনশীলতা নেই।” আবার কেউ কেউ সলমন খানের প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, “আপনি বারবার সলমনকে কপি করেন কেন? নিজে কিছু করতে পারেন না?”