OMG! স্ত্রীকে নালায় ফেলে শ্বাসরোধ করে খুন, থানায় গেলেন স্বামী, তারপর…যা ঘটলো?

বাঁকুড়ার সিমলাপাল থানা এলাকার মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁশি গ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্ত্রী সাবিত্রী গরাইকে (৫৫) নালায় ফেলে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাধন গরাইয়ের (৬৫) বিরুদ্ধে। এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে, এবং এরপর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই সিমলাপাল থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় কৃষক সাধন গরাইয়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সাবিত্রীর প্রায়শই ঝগড়া লেগে থাকত। যদিও গত কয়েক মাস ধরে তাঁদের মধ্যে তেমন কোনো ঝামেলা ছিল না। কিন্তু বুধবার রাতে ফের তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যার চরম পরিণতি ঘটে সাবিত্রী দেবীর খুনে। অভিযোগ, ঝগড়ার পরেই সাধন তাঁর স্ত্রীকে বাড়ির পেছনে একটি নালায় ফেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

ঘটনার দিন রাতে দম্পতির ছেলে ও বউমা উপরের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। তাই খুনের বিষয়ে তাঁরা কিছুই জানতে পারেননি। সকালে একজন সিভিক ভলান্টিয়ারের ফোন পেয়ে তাঁরা পুরো ঘটনাটি জানতে পারেন।

মৃতের ছেলে শ্রীজীব গরাইয়ের দাবি, “আমরা কিছুই বুঝতে পারিনি। সম্পূর্ণ বিষয়টি আমাদের অজান্তে ঘটেছে। সকালে খবর পেয়ে ঘটনার কথা জানতে পারি। তবে আমি এই ঘটনায় বাবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

খাতড়ার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (SDPO) অভিষেক যাদব জানিয়েছেন, “অভিযুক্ত সাধন গরাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

তবে, কী কারণে সাধন তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, দাম্পত্য কলহের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পুরো ঘটনার পেছনে আর কোনো কারণ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে সিমলাপাল থানার পুলিশ। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।