Recipe: সন্ধ্যার স্নাক্সে খান কুচো চিংড়ির বড়া, শিখেনিন বানানোর সেরা পদ্ধতি

সারাদিনের ক্লান্তি কাটাতে এক কাপ গরম চা যেন অপরিহার্য। কিন্তু শুধু চা হলে কি চলে? চায়ের আড্ডা জমাতে অথবা সন্ধ্যায় হালকা খিদে মেটাতে সঙ্গে দরকার মুখরোচক কিছু। সত্যি বলতে, প্রতিদিন বাইরে থেকে এসব কিনে আনাটাও বড়ই ঝক্কির এবং স্বাস্থ্যকরও নয় সবসময়। তাই আপনাদের কথা ভেবে বাড়িতেই সহজে এবং তাড়াতাড়ি বানিয়ে নেওয়া যায় এমন এক অসাধারণ মুখরোচক রেসিপি তুলে ধরলাম। তবে রান্নার কৌশল জানার আগে নামটা জেনে নিন। আজ রইল কুচো চিংড়ির বড়ার রেসিপি। গরম ভাত বা মুড়ির সঙ্গেও এটি জমে যাবে।
উপকরণ:
কুচো চিংড়ি: ২৫০ গ্রাম (ভালো করে ধোয়া ও পরিষ্কার করা)
মুসুর ডাল বাটা: ১ কাপ
বেসন: ১ টেবিল চামচ
চালগুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ
কালো জিরে: আধ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি: ১ টেবিল চামচ
আদা-রসুন বাটা: ২ চা চামচ
কাঁচালঙ্কা কুচি: ২/৩ টি (আপনার ঝাল অনুযায়ী)
ধনেপাতা কুচি: ২ টেবিল চামচ
নুন: স্বাদমতো
চিনি: সামান্য (ঐচ্ছিক, স্বাদের ভারসাম্য রাখতে)
হলুদ গুঁড়ো: আধ চা চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো: সিকি চা চামচ (বা আপনার স্বাদ অনুযায়ী)
সরষের তেল: পরিমাণমতো (বড়া ভাজার জন্য)
প্রণালী:
১. প্রথমেই কুচো চিংড়িগুলো ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। প্রয়োজনে এটিকে আরেকটু ছোট ছোট টুকরো করে কুচিয়ে নিতে পারেন।
২. এবার একটি বড় পাত্রে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখা চিংড়ি মাছ নিন। এর মধ্যে আগে থেকে বেটে রাখা মুসুর ডাল, বেসন, চালগুঁড়ো, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি, আদা-রসুন বাটা, ধনেপাতা কুচি এবং সমস্ত গুঁড়ো মশলা (নুন, চিনি, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো) একে একে দিয়ে দিন।
৩. এই সব উপকরণ হাত দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। মাখাটা একটু শুকনো শুকনো হবে, এর মধ্যে অতিরিক্ত জল দেবেন না। মাখার সময় যদি খুব বেশি শুকনো মনে হয়, তাহলে সামান্য জলের ছিটে দিতে পারেন, তবে মিশ্রণ যেন খুব বেশি নরম বা পাতলা না হয়ে যায়। বড়া গড়ার মতো মণ্ড তৈরি হবে।
৪. এবার তৈরি মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে আপনার পছন্দমতো বা সুবিধা মতো গোল বা চ্যাপ্টা বড়ার আকারে গড়ে নিন।
৫. একটি কড়াইতে বড়া ভাজার জন্য পরিমাণমতো সরষের তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে আঁচ কমিয়ে মাঝারি করে দিন এবং বড়াগুলো সাবধানে গরম তেলে ছাড়ুন। একবারে বেশি বড়া দেবেন না, এতে তেল ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে এবং বড়াগুলো মুচমুচে নাও হতে পারে।
৬. বড়াগুলোর একপাশ সোনালি হয়ে এলে আস্তে আস্তে উল্টে অন্য পাশ ভেজে নিন। বড়াগুলো দুই পাশেই সোনালি বাদামী এবং মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
৭. ভাজা হয়ে গেলে ঝাঁঝরি দিয়ে তেল ঝরিয়ে বড়াগুলো তুলে নিন।
গরম গরম মুচমুচে কুচো চিংড়ির বড়া গরম চায়ের সঙ্গে বা সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন। এছাড়াও গরম ভাতের সঙ্গে প্রথম পাতে এটি খেতে অসাধারণ লাগে। সহজে তৈরি এই বড়া আপনার সান্ধ্যকালীন স্ন্যাকসের তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।