কলিঙ্গ সুপার কাপ: প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১-০ গোলে পিছিয়ে ইমামি ইস্টবেঙ্গল

দি থ্রিলার! ইস্টবেঙ্গল বনাম কেরালা ব্লাস্টার্স – প্রথমার্ধে পেনাল্টি ড্রামা, লাল-হলুদ পিছিয়ে ১-০
কলিঙ্গ সুপার কাপের ময়দান আজ সন্ধ্যায় সাক্ষী থাকলো এক টানটান উত্তেজনার ম্যাচের। প্রথম প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ডেভিড কার্টারের শক্তিশালী কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু প্রথমার্ধের খেলা শেষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়তে হলো মশাল ব্রিগেডকে। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিল একটি পেনাল্টি।
গত বছর এই ট্রফি জিতে নিলেও, এবারের টুর্নামেন্টে শুরু থেকেই কিছুটা নিষ্প্রভ দেখাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে। অন্যদিকে, কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু থেকেই ছিল অনেক বেশি আক্রমণাত্মক। ম্যাচের প্রথম বাঁশি বাজার পর থেকেই লাল-হলুদের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেন নোয়া সাদাউ, ডুসান ল্যাগেটরদের মতো ফুটবলাররা। গোলের সহজ সুযোগও এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে। নোয়ার পাস থেকে জেসুসের প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আরও কিছু সুযোগ তৈরি হলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আসেনি।
তবে ইস্টবেঙ্গলও একেবারে চুপচাপ ছিল না। পিভি বিষ্ণু এবং দিমিত্রিওস ডায়মান্তাকসরাও প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু সুযোগ নষ্টের পুরনো রোগ এদিনও পিছু ছাড়ল না লাল-হলুদকে। প্রথমার্ধের শেষ কোয়ার্টারে বক্সের মধ্যে নোয়া সাদাউকে ফাউল করে বসেন ইস্টবেঙ্গলের গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি। ফলাফল, কেরালা ব্লাস্টার্সের পক্ষে পেনাল্টি।
প্রথম দফায় জেসুসের শট বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক প্রভসুখান সিং গিল। কিন্তু রেফারি জানান, শটটি নিয়ম মেনে নেওয়া হয়নি এবং পুনরায় পেনাল্টির নির্দেশ দেন। দ্বিতীয়বার আর কোনো ভুল করেননি জেসুস, জালে বল জড়িয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
তবে প্রথমার্ধের একদম শেষ মুহূর্তে গোল শোধ করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে ফাঁকা পোস্ট পেয়ে গিয়েছিলেন দলের নির্ভরযোগ্য তারকা রাফায়েল মেসি বাউলি। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে তিনিও গোল করতে ব্যর্থ হন। তার এই সুযোগ নষ্ট দেখে হতাশ গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকরা। ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি লাল-হলুদ ব্রিগেড, সেটাই এখন দেখার।