মাঝরাতে চুপি চুপি বাড়িতে আসত মেয়ের শ্বশুর, চলে যেতেন ভোরে…! তলে তলে এতকিছু, অতঃপর….

কিছুদিন আগেই আলিগড়ে মেয়ের প্রেমিকের সঙ্গে মায়ের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এবার একই ধরনের ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশের বদাউঁতে। পেশায় ট্রাকচালক স্বামী বাড়িতে ফিরে জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী মমতা নিখোঁজ। স্ত্রীর এই কাণ্ডে হতবাক স্বামী সোজা থানায় ছুটে যান।
সুনীল কুমার কাজের সূত্রে প্রায় সারা মাসই বাড়ির বাইরে থাকতেন। মাসে এক-দুবার বাড়ি ফিরতেন। চার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন তিনি। তাঁদের এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে।
সুনীলের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তাঁর বড় মেয়ের শ্বশুর শৈলেন্দ্রর। প্রতিবেশীরাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আত্মীয় হওয়ায় প্রথম দিকে কেউই তেমন সন্দেহ করেননি। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনায় স্তম্ভিত সকলে। অভিযোগ, মেয়ের শ্বশুর শৈলেন্দ্রর সঙ্গেই পালিয়ে গিয়েছেন সুনীলের স্ত্রী মমতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে শৈলেন্দ্রর ছেলের সঙ্গে মমতার মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর থেকেই নাকি মমতা ও শৈলেন্দ্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক প্রতিবেশী জানান, শৈলেন্দ্র প্রায় রাতেই সুনীলের বাড়িতে আসতেন এবং ভোরের আলো ফোটার আগে চলে যেতেন।
সুনীল ও মমতার ছেলেও জানিয়েছে, বাবার অনুপস্থিতিতে শৈলেন্দ্রর নিয়মিত আনাগোনা ছিল তাদের বাড়িতে। তার আরও অভিযোগ, শৈলেন্দ্র যখন বাড়িতে আসতেন, তখন তার মা তাকে অন্য ঘরে পাঠিয়ে দিতেন।
সুনীল কুমারের অভিযোগ, শৈলেন্দ্র তাঁর স্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন এবং সঙ্গে নিয়ে গেছেন নগদ টাকা ও গয়না। এই ঘটনায় তিনি স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা মমতা ও শৈলেন্দ্রের সন্ধান শুরু করেছে এবং খুব শীঘ্রই তাদের খুঁজে বের করা হবে। এই ঘটনায় বদাউঁ এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।