“একই বিছানায় ঘুমোন পরী ও শেখ সাদী”-বিস্ফোরক দাবি করলেন নায়িকার পরিচারিকা

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণিকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। এবার তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন খোদ পরীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনা সেই পরিচারিকা। পিঙ্কি আক্তার নামের ওই পরিচারিকা বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পরীমণি ও শেখ সাদীকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করেছেন।
একাধিক ভিডিও সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি আক্তার দাবি করেছেন, পরীমণি ও শেখ সাদী একসঙ্গে থাকেন, বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে ঘুরতে যান। শেখ সাদী নিয়মিতভাবে পরীর বাড়িতে আসেন এবং তাঁরা একই বিছানায় ঘুমান ও একই ঘরে থাকেন। যদিও তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন কিনা, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন পিঙ্কি।
পরীর এই পরিচারিকা আরও অভিযোগ করেন, শেখ সাদী ও পরী একই থালায় খাওয়া-দাওয়া করেন। এমনকি, গায়কের হাতে নায়িকা মারধরও খান বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন পিঙ্কি। তাঁর এই ভিডিও সাক্ষাৎকার ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে পিঙ্কি আরও দাবি করেন, শেখ সাদীর হাতে বেধড়ক মারধর খাওয়ার কারণেই ঈদ-উল-ফিতরের আগে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন পরীমণি। উল্লেখ্য, ঈদের দিন পরী তাঁর মেহেন্দি রাঙানো হাতের ছবি পোস্ট করেছিলেন, যেখানে স্যালাইনের নল লাগানো ছিল এবং মেহেন্দিতে ‘এস’ আদ্যক্ষর লেখা ছিল। পিঙ্কি আক্তার আরও জানান, পরীর এক বছরের মেয়ের ঠিকমতো যত্ন নিতে না পারার কারণে পরী তাঁকে মারধর করেছিলেন। অভিযোগকারিণীর দাবি, মারধরের সময় তাঁর জ্ঞান ছিল এবং পরী নাকি তাঁর মুখে হাত বোলাতে বোলাতে বলেছিলেন, “আমায় তো এভাবেই মারে। এভাবেই মার খেয়ে মুখ বুজে সহ্য করি।” (এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি)।
এছাড়াও, পিঙ্কি ঢাকাই নায়িকার বিরুদ্ধে একাধিক পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার পরীমণির বিরুদ্ধে ঢাকার ভাটারা থানায় মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পিঙ্কি আক্তার। তাঁর অভিযোগ, পরীর শিশুকন্যাকে খাওয়ানো নিয়ে বচসা হলে পরীমণি তাঁকে মারধর করেন এবং অসুস্থ বোধ করা সত্ত্বেও হাসপাতালে যেতে দেননি।
যদিও পরীমণি ফেসবুক লাইভে এসে তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই পরিস্থিতিতে পরীমণি ও শেখ সাদীর সম্পর্ক এবং পরিচারিকার আনা মারধরের অভিযোগ ঘিরে জলঘোলা ক্রমশ বাড়ছে। বিষয়টি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।