জেলে বসেই চালাচ্ছেন তান্ডব…..! ৭ দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করানো হবে মুসকানের

মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতের খুনের ঘটনায় গোটা দেশে হইচই পড়ে গেছে। কীভাবে তাঁর স্ত্রী মুসকান তাঁর প্রেমিক সাহিলের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করেছিলেন এবং দেহটিকে ১৫ টুকরো করে ড্রামে ভরে সিমেন্ট দিয়ে সিল করে দিয়েছিলেন, তা ভেবে তদন্তকারী পুলিশ থেকে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত হতবাক। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত মুসকান ও সাহিল হাজতে রয়েছেন। পুলিশের একটি চালে তদন্তে নতুন মোড় আসতে পারে।
বর্তমানে মুসকান ও সাহিল ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। কিন্তু জেলে তাঁরা প্রায় তাণ্ডব চালাচ্ছেন। দুজনেই এতটাই মাদকাসক্ত যে জেলে বসেও গাঁজা ও মরফিন শটের দাবি জানাচ্ছেন। জেদ করে খাওয়া-দাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের কাউন্সেলিং ও চিকিৎসা চলছে। জানা গেছে, মুসকান ও সাহিল আদালতে নিজেদের পক্ষে লড়তে সরকারি আইনজীবীর দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, জেলে মুসকানের প্রেগন্যান্সি টেস্ট করানো হবে। এ বিষয়ে জেলের সুপার বীরেশ রাজ শর্মা বলেছেন, “এটা নিয়ম। যখনই কোনও মহিলা বন্দিকে জেলে আনা হয়, তখন প্রেগন্যান্সি টেস্ট করানো হয়। ৭ দিন পর এই টেস্ট করা হবে।”
এছাড়া পুলিশ সাহিল ও মুসকানকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও মুসকান ও সাহিলকে আরও কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা বাকি। দুজনেই তন্ত্রসাধনা ও কালোজাদুতে বিশ্বাসী ছিলেন। সৌরভকে খুনের সময় তাঁরা তান্ত্রিক রীতিনীতি মেনেছিলেন কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে সিমলা, মানালি এবং কাসোলে নিয়ে যেতে পারে। সৌরভকে খুন করে ড্রামে ভরে তাঁরা এই জায়গাগুলিতে ঘুরতে গিয়েছিলেন।