দ্রুতগামী স্করপিও’র ধাক্কায় প্রাণ গেল মা ও মেয়ের! আহত আরও ২, কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? তদন্ত শুরু পুলিশের

সোমবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিনজন মহিলা। দ্রুতগতির স্করপিও গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ বছরের এক কিশোরী, তার মা এবং আরও এক মহিলার। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি-দেরাদুন হাইওয়ের ওপর দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন ১৯ বছরের কিশোরী সবিতা জাটভ এবং তাঁর মা ঊষা, সঙ্গে ছিলেন গ্রামের আরও দুই মহিলা—গায়ত্রী ও কেলা দেবী। সেই সময় মুজাফফরনগরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী স্করপিও তাঁদের ধাক্কা মারে। শুধু তাই নয়, সবিতা ও তাঁর মাকে গাড়িটি টেনে হিঁচড়ে কিছুটা দূরে নিয়ে যায়।

এই ভয়াবহ ধাক্কার পর স্করপিওটি একটি বাইককেও সজোরে ধাক্কা মারে। স্থানীয়রা ছুটে এসে দেখেন, সবিতা ও তাঁর মা রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন আরও দুই মহিলা এবং বাইক আরোহী।

গাড়িচালক পালিয়ে যায়, তদন্ত শুরু পুলিশের

ঘটনার পরই স্করপিওটির চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দৌরালার ওয়ালিদপুর গ্রামের বাসিন্দা সবিতা, তাঁর মা ঊষা, এবং তাঁদের দুই সঙ্গী মহিলা আখক্ষেত থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পলাতক গাড়িচালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

শোকের ছায়া এলাকায়

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাইওয়েতে লাগাতার বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চললেও প্রশাসনের তেমন কড়াকড়ি নেই। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।