“তুই কি হিন্দু?”- তমলুকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলতে বাধ্য করা হয়েছে হিন্দুদের, দাবি BJP-র

হোলির দিন তমলুকে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে বিজেপির দাবি, হোলির দিনে কিছু যুবককে ‘আল্লাহু আকবর’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়েছিল। বিজেপি এক মহিলার বক্তব্য তুলে ধরে জানায়, ওই এলাকায় প্রতিদিন বাইকে করে কিছু যুবক জমায়েত করে, যার ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ভুগছেন। হোলির দিন প্রায় ৫০টি বাইকে শতাধিক ব্যক্তি টুপি পরে হাজির হয়েছিলেন, যারা এক হিন্দু যুবককে তার ধর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে মারধর করেন বলে অভিযোগ।
বিজেপির অভিযোগ, বাংলায় হিন্দুরা অবরুদ্ধ। মমতার বাংলায় হিন্দুদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে এবং তাদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। বিজেপি দাবি করে, তমলুকে মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তিতেও হামলা করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
এদিকে, বীরভূমের সাঁইথিয়াতেও হোলির দিন দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
HINDUS UNDER SIEGE IN BENGAL!
In Mamata’s West Bengal, Hindus are beaten, harassed, and silenced! On Holi, Hindu youths in Tamluk were brutally attacked just for resisting Islamist harassment. A statue of Matangini Hazra was trampled, mobs ran wild, and police stood watching!… pic.twitter.com/jmkRqVwZMG
— BJP West Bengal (@BJP4Bengal) March 15, 2025
সাঁইথিয়ায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ নং ধারা অনুযায়ী বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে, যাতে নতুন করে কোনও অশান্তির ঘটনা না ঘটে।
এছাড়াও, নানুরের কিরনাহার এলাকাতেও দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। যদিও সেখানে বড় ধরনের কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে প্রশাসন জানিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভুয়ো খবর ছড়ানো রোধে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।