‘একপেশে বদনামের চেষ্টা’, তোপ তৃণমূলের

সম্পত্তি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতারা। এই প্রসঙ্গে আবার ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘নির্বাচনী হলফনামায় আয়-ব্যয়ের সব হিসাব দিয়েছি। আয়কর দফতর কোনও পদক্ষেপ করেনি। রোজগার করা, সম্পত্তি বাড়ানো অন্যায় নয়। এটা জনস্বার্থ মামলা নয়। রাজনৈতিক স্বার্থে করা মামলা।’

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফিরহাদ হাকিমের দাবি, ‘পার্থ যা করেছেন, তাতে আমরা লজ্জিত। তার মানে এটা নয় যে, তৃণমূলের সবাই চোর।’

উল্লেখ্য, বিপ্লব কুমার চৌধুরী ও অনিন্দ্য সুন্দর দাস নামে দুই ব্যক্তি হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলার মূল বিষয় ছিল, ২০১১ সাল থেকে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তির হিসেবনিকেশ করে দেখা গিয়েছে, একেকজনের সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে হাজার গুণ পর্যন্ত। কিভাবে এই বৃদ্ধি ? এই প্রশ্ন তুলে ২০১৭ সালে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।