“বাংলাদেশে ঢুকল ৭,০০,০০,০০,০০,০০ টাকা!”- কেই বা এত টাকা পাঠাচ্ছে ইউনূস সরকারকে?

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণসঞ্চার করছে প্রবাসী আয়ের অর্থ। মার্চ মাসের প্রথম আট দিনেই বাংলাদেশে এসেছে ৮১ কোটি ৪২ লক্ষ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় সাত হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সই এই বিপুল পরিমাণ অর্থপ্রবাহের মূল কারণ। প্রশাসনিক মহলের ব্যাখ্যা, বিগত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতি ধুঁকছিল। কিন্তু নতুন বছরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আবারও দেশের অর্থনীতিতে গতি আসছে।

২০২৪ অর্থবর্ষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রায় ১ শতাংশ কমে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বস্ত্রশিল্পেও মন্দা দেখা দেয়, যার ফলে রপ্তানি কয়েক মাস ধরে থমকে গিয়েছিল। এতে এই খাতের মুনাফা ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল বিদেশি রেমিট্যান্সে পতন। বাংলাদেশ জিডিপির ৬-৭ শতাংশই নির্ভর করে এই রেমিট্যান্সের উপর।
অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা

নতুন বছরে বাংলাদেশে মাত্র দু’মাসেই ১০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিদেশি আয় এসেছে। আর মার্চের প্রথম আট দিনেই ঢুকেছে ৭ হাজার কোটি টাকা। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো এই অর্থে দেশের অর্থনৈতিক চাকা আবার সচল হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে, তাহলে আগামী কয়েক মাসে রেমিট্যান্সের হার আরও বাড়বে এবং বাংলাদেশ আবারও আর্থিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে পারবে।