BJP- কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের ঘটনায় শীর্ষ আদালতে ভৎর্সনার মুখে সিবিআই

বঙ্গ রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের খুনের ঘটনা কেন্দ্র করে। ভোট পরবর্তী হিংসার এই ঘটনাটি এখন শীর্ষ আদালতের নজরে, এবং সিবিআইকে তীব্র ভৎর্সনার মুখে পড়তে হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে অভিযুক্তদের জামিন খারিজের জন্য সিবিআইকে আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, খুনের ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া এবং ধৃতদের জামিনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী।
অভিজিৎ সরকারের পরিবারের পক্ষ থেকে শীর্ষ আদালতে একগুচ্ছ অভিযোগও করা হয়েছে। তাঁদের আইনজীবী দাবি করেছেন যে, অভিজিতের পরিবারকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। এমনকি, খুনের চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এদিন, বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এবং প্রসন্ন বি ভার্ডে বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি হয়।
বিচারপতি ত্রিবেদী সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন, কেন এই যাবতীয় অভিযোগ কলকাতা হাইকোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের আইনজীবী এই প্রশ্নের মুখে কোনও স্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি। বিচারপতি ত্রিবেদী জানান, এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিহতের পরিবারের বক্তব্য না শুনেই কলকাতা হাইকোর্ট অভিযুক্তদের জামিন দিয়েছে, যা তাকে উদ্বেগিত করেছে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে অভিজিৎ সরকারের পরিবারের উপর একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছিল। তাঁর দাদা, বিশ্বজিৎ সরকারও রাজ্যের পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এই নতুন বিচারপ্রক্রিয়া এবং সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে এখন রাজ্য রাজনীতিতে চাপা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
ভোট পরবর্তী হিংসার এই ঘটনা রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, এবং তাতেই এখন সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া এবং আদালতের ভূমিকা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।