Recipe: বড়ি-কড়াইশুঁটি দিয়ে নিরামিষ পালং শাকের ঘণ্ট, শিখেনিন বাঙালির সেরা রেসিপি

সারা বছর পালং শাক পাওয়া গেলেও এই সময় টাটকা শাকের স্বাদই আলাদা। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই শাক প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে স্বাস্থ্যকর অনেক উপকার পাওয়া যায়। কম ক্যালোরিযুক্ত এই শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
পালং শাক দিয়ে নানা ধরনের পদ রান্না করা গেলেও বাঙালি বাড়িতে সবচেয়ে জনপ্রিয় রেসিপিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘পালং শাকের ঘণ্ট’। এটি ভাতের সঙ্গে অত্যন্ত সুস্বাদু। আসুন, জেনে নিই এই ঐতিহ্যবাহী রেসিপিটি তৈরির সহজ পদ্ধতি।
উপকরণ:
পালং শাক – পরিমাণ মতো (পরিষ্কার করে কেটে নেওয়া)
আলু – ডুমো করে কাটা
মুলো – ছোট ছোট টুকরো
কুমড়ো – কাটা
গাজর – কাটা
সিম – ছোট ছোট টুকরো
বড়ি – পরিমাণ মতো
পাঁচফোড়ন – ১ চা চামচ
নুন – স্বাদমতো
চিনি – ১ চা চামচ (ইচ্ছেমতো)
শুকনো লঙ্কা – ২টি
সর্ষের তেল – ২ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
কড়াইশুঁটি – ১/২ কাপ
প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে পালং শাক ভাল করে ধুয়ে কেটে নিন এবং সমস্ত সবজি কেটে ধুয়ে রাখুন।
কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে প্রথমে বড়িগুলো লালচে করে ভেজে তুলে রাখুন।
এরপর একই তেলে পাঁচফোড়ন ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন।
এতে একে একে আলু, মুলো, কুমড়ো, গাজর, সিম দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন।
হলুদ ও ধনে গুঁড়ো মিশিয়ে দিন এবং কয়েক মিনিট ভাজুন।
এবার পালং শাক ও নুন যোগ করে ঢেকে দিন। শাকের জলেই সবজি সিদ্ধ হয়ে যাবে, আলাদা করে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সবজি ও শাক সেদ্ধ হয়ে গেলে এবং জল কিছুটা কমে এলে ভাজা বড়ি ও কড়াইশুঁটি দিন।
সামান্য গ্রেভি রেখে নামিয়ে ফেলুন পালং শাকের ঘণ্ট।
গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই বাঙালি ঘরোয়া রান্না। শীতের স্বাদ উপভোগ করুন পালং শাকের ঘণ্ট দিয়ে!