ট্যাবের টাকা হাতানোর ‘মাস্টারমাইন্ড’ মাস্টারমশাই? মালদার শিক্ষকের গ্রেপ্তারিতে শোরগোল

‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের ট্যাব কেলেঙ্কারিতে নতুন মোড়। মালদার ভগবানপুর কেবিএস হাই স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষক রকি শেখের গ্রেফতারের পর এই কেলেঙ্কারির মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তাঁর নাম উঠে আসছে।
কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে রকির প্রযুক্তির বিষয়ে অগাধ জ্ঞান ছিল। এই জ্ঞান ব্যবহার করে তিনি সাইবার জগতে জাল বিছিয়ে টাকা হাতানোর কাজ করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।স্কুল কর্তৃপক্ষের মতে, রকি ছাত্রবৎসল ছিলেন এবং তাঁকে স্কুলের কাজে বিশ্বাস করা হত। তবে ট্যাবের কাজ তাঁকে দেওয়া হত না।রকি ছাড়াও মালদা থেকে আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সকলেই প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং বিভিন্ন সাইবার ক্যাফেতে কর্মরত।
এই কেলেঙ্কারি মালদা ছাড়িয়ে কলকাতা এবং অন্যান্য জেলায়ও ছড়িয়ে পড়েছে।একাধিক স্কুলের শত শত পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে।
সাইবার কৌশল ব্যবহার করে পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।একাধিক ব্যক্তি মিলে এই জালিয়াতি চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতির একটি গুরুতর উদাহরণ।এই ঘটনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পড়ুয়ারা।এই ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
পুলিশকে এই ঘটনার গভীরতর তদন্ত করতে হবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি রোধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে ট্যাব কেলেঙ্কারি একটি গুরুতর অপরাধ। এই ঘটনায় জড়িত সকল দোষীকে দণ্ডিত করা উচিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।