কৃষ্ণনগর ‘হত্যাকাণ্ড’: ধৃত রাহুলের বান্ধবীর কথায় বাড়ছে রহস্য, তদন্তে পুলিশ

কৃষ্ণনগরে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু মামলায় নতুন তথ্য উঠে এসেছে যা ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মৃতার অন্য এক বান্ধবীর জবানবন্দি এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এই মামলায় নতুন মোড় নিয়ে এসেছে।

মৃত ছাত্রীর আরেক বান্ধবী দাবি করেছেন যে, তিনি এবং রাহুল দুর্গাপুজোর দিন কদমতলা ঘাটে পরিচয় হয়েছিল।কিছুক্ষণ কথা বলার পরে তারা একে অপরের ফোন নম্বর নিয়েছিল।

মৃত ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে আত্মহত্যার কথা দেখে তিনি রাহুলকে ফোন করেছিলেন। রাহুল তাকে বলেছিল যে, মৃত ছাত্রী আগেও এরকম করেছে।পুলিশ এই তরুণীকেও জেরা করেছে। রাহুল ঘটনার দিন তাকে নিয়ে রানাঘাটে সিনেমা দেখতে গিয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।মৃতদেহে ‘অ্যান্টিমর্টম বার্ন’ এর চিহ্ন পাওয়া গেছে, যার মানে হল জীবিত অবস্থায় তাকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শরীরের ৯০% অংশ পুড়ে গিয়েছে।শ্বাসনালীতে কার্বনের অস্তিত্ব: শ্বাসনালীতে কার্বনের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে, যা নির্দেশ করে যে তিনি ধোঁয়া শ্বাস নিয়েছিলেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছে। রাহুল যে বান্ধবীর সঙ্গে রানাঘাটে সিনেমা দেখতে গিয়েছিল, তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।পুলিশ ফরেন্সিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।

রাজ্য মহিলা কমিশনের সদস্য দেবযানী চক্রবর্তী মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন।

মৃত ছাত্রীর অন্য এক বান্ধবীর জবানবন্দি এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এই মামলায় নতুন মোড় নিয়ে এসেছে। মৃত্যুর কারণ এখনও অস্পষ্ট রয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।