গোমূত্র খেয়ে তবেই প্যান্ডেলে এন্ট্রি? -বিতর্কিত নিদান BJP নেতার

ইন্দোরের বিজেপি সভাপতি চিন্টু বর্মা নবরাত্রি উৎসবের সময় গরবা প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য গোমূত্রে চুমুক দেওয়ার একটি অস্বাভাবিক শর্ত জারি করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে এই পদ্ধতি সকলের পবিত্রতা নিশ্চিত করবে।
বর্মা প্রথমে দাবি করেছিলেন যে গরবা প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য গোমূত্রে চুমুক দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।কংগ্রেসসহ অন্যান্য দল এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং এটিকে ধর্মীয় সহনশীলতার বিরোধী বলে উল্লেখ করেছে।
সোমবার বর্মাকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘নবরাত্রি শক্তির উৎসব। এটা মাতারানির উৎসব আর গোরুকে আমরা মাতা হিসেবেই পুজো করি। তাই আমার মনে হয়, গরবা প্যান্ডেলে ঢোকার আগে সকলের গোমূত্রে চুমুক দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হোক। এতে সকলের পবিত্রতা নিশ্চিত হবে।’
পরে বর্মা তার মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন যে তিনি পবিত্র মনোভাব থেকে এই কথা বলেছিলেন এবং এটি তার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি আরও বলেছেন যে সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী হওয়ার কারণে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। আশ্চর্যজনকভাবে ভোপালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ বর্মার এই মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন।
বর্মার মন্তব্য ধর্মীয় সহনশীলতার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এই মন্তব্য রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বর্মা দাবি করেছেন যে এটি তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং সনাতন ধর্মের প্রতি তার ভক্তির প্রকাশ।
বর্মার মন্তব্য একটি গুরুতর সমস্যা উত্থাপন করেছে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর নিজের বিশ্বাস চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বর্মার মতো মন্তব্য সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং ধর্মীয় সহনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।