সন্দীপের ২ সহযোগী এবং দেহরক্ষীও গ্রেফতার, জেনেনিন দোষী সাব্যস্ত হলে কী সাজা হতে পারে?

সিবিআই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষসহ চারজনকে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার অন্যরা হলেন বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা এবং সন্দীপের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী আফসার আলি খান।

সিবিআই তদন্তে উঠে এসেছে যে, সন্দীপ ঘোষ এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা হাসপাতালের মেডিক্যাল সরঞ্জাম সরবরাহের কাজে জড়িত ছিলেন এবং এই কাজে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। সুমন হাজরার হাজরা মেডিক্যাল শপ এবং বিপ্লব সিংহের মা তারা ট্রেডার্স এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ।

সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই তাঁর বাসা এবং হাসপাতালে তল্লাশি চালিয়েছে। তাঁকে পরিলক্ষণ পরীক্ষাও করানো হয়েছে।

মামলায় দায়েরকৃত ধারা ও শাস্তি:

IPC 120B (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র): এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন বা দুই বছরের বেশি সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

IPC 420/318 (প্রতারণা): এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।

দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের 7 ধারা: সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অর্থ উপার্জনের অভিযোগে এই ধারা প্রযোজ্য।

কেন্দ্রীয় অনুসন্ধান সংস্থা সিবিআই এই মামলাগুলিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।