NEET-কাণ্ডে উত্তাল সংসদ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করলেন বিরোধীরা

বাজেট অধিবেশনের শুরুতে সংসদে হট্টগোল হয়। সোমবার থেকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা গুরুতর প্রশ্নের মুখে। পার্লামেন্টের নতুন অধিবেশনের প্রথম দিনেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ আক্রমণের মেজাজে’ বিরোধীরা। এনইইটি প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে যোগ দিয়েছে বিরোধীরাও। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে বিরোধীরা। বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে, NEET-এ প্রশংসা ইস্যুতে কংগ্রেস সাংসদ এবং বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের মধ্যে উত্তপ্ত তর্ক হয়েছিল। প্রশ্ন: প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে সরাসরি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন রাহুল। উত্তর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীও।

রাহুল বলেন, ‘দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাতেই গলদ সুস্পষ্ট। শুধুমাত্র NEET-ই নয় দেশের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলিতে গলদ দেশের জন্য একগুরুতর সমস্যা। শিক্ষামন্ত্রী নিজেকে ছাড়া বাকি সকলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন। আমার মনে হয় বর্তমানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যা ঘটছে তার মৌলিক বিষয়গুলি উনি বোঝেন না।’

বলেন, ‘লাখ লাখ মানুষের বিশ্বাস যদি আপনার কাছে টাকা থাকে বা আপনি বিত্তশালী হন তবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাতেই কিনে নেওয়া যায়। বিরোধীদেরও এই একই বিশ্বাস।’

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘গত সাত বছরে প্রশ্নফাঁসের কোনও প্রমাণ নেই। NEET প্রশ্নফাঁস মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি সফল ভাবে ২৪০টি পরীক্ষার আয়োজন করেছে। পাঁচ কোটিরও বেশি পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। ৪.৫ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী এইসব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন

শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাহুলের প্রশ্ন, ‘NEET-এ কারচুপি পরীক্ষার পদ্ধতিগত সমস্যা। সেই সমস্যা দূর করতে আপনি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন?’

পাল্টা জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চিৎকার করে মিথ্যাকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। বিরোধী দলনেতা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও আপত্তিজনক।’

অখিলেশ যাদব বলেন,’এই সরকারের আমলে রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এমনও সেন্টারে রয়েছে যেখানে ২০০০-এর বেশি পরীক্ষার্থী পাশ করেছেন। যতদিন ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রী থাকবেন ততদিন পড়ুয়ারা বিচার পাবেন না।’