নাগপুরের ৫৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা কি আদৌ সঠিক? জেনেনিন কি বলছে হাওয়া অফিস

দেশের বিভিন্ন অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। তাপমাত্রা প্রতিদিন নতুন রেকর্ড গড়ছে। এই প্রবাহে বিশেষ করে উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের অবস্থা বেশ ভয়াবহ। সম্প্রতি, নাগপুরে ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

নাগপুরে ৫৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা: সত্যি কি মিথ্যা?

শুক্রবার, নাগপুরে ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলেও, আবহাওয়া অফিস এই তথ্যকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে।IMD-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের ত্রুটির কারণেই এই অস্বাভাবিক তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।পরবর্তীতে, ৩০ মে নাগপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকেও বিভ্রান্তি দূর করা হয়েছে।

এর আগেও ত্রুটিপূর্ণ তাপমাত্রা রেকর্ডের ঘটনা:
দিল্লিতে ৫২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা পরে সেন্সরে গড়বড়ের কারণে বাতিল করা হয়।
রাজধানীতে তাপমাত্রা ৫২.৩ ডিগ্রি ছুঁতে ‘তদন্ত’ শুরু হয়েছিল।

উত্তর ও পশ্চিম ভারতে তীব্র তাপপ্রবাহ:
গোটা উত্তর ভারতে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙছে।শুক্রবার নাগপুরোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।তীব্র লু জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

জলাধারে জলশূন্যতা:
সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিনে দেশের ১৫০টি জলাধারের জল ২৩ শতাংশ শুকিয়ে গিয়েছে।জলসংকট তীব্র হচ্ছে।
দিল্লিতে জল সংকটের তীব্রতা বেড়েছে।

উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশ থেকে জল সরবরাহের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার।

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন অংশে চরম বিপর্যয়ের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং জলসংকট দূর করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।