বিশেষ: কী ভাবে নির্বাচনী প্রতীকের ব্যবহার চালু? জেনেনিন নেপথ্য কার অবদান?

নির্বাচনী প্রতীক কেবল দল ও প্রার্থীদের পরিচয়ই বহন করে না, ভোটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইভিএম মেশিনে নির্দিষ্ট বোতামে চাপ দিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রতীকের ইতিহাস
১৯৫১-৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারদের অধিকাংশই নিরক্ষর ছিলেন। তাদের সুবিধার্থে নির্বাচন কমিশন প্রতীক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি প্রার্থীর জন্য আলাদা রঙের ব্যালট বাক্স এবং সহজে চিহ্নিত করা যায় এমন প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছিল।
প্রতীক নির্বাচন
প্রথম নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক নির্বাচনের জন্য এমএস শেঠি নামক এক ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি কমিশনের সাথে আলোচনা করে ঝাড়ু, হাতি, সাইকেল, ঘুড়ি, কাঁচির মতো শতাধিক প্রতীক তৈরি করেছিলেন। প্রতীক নির্বাচনের সময় নেইল কাটার, গলার টাই এর মতো জিনিসগুলিও বিবেচনা করা হয়েছিল, কিন্তু সে সময় জনগণের সাথে তাদের পরিচয় না থাকায় সেগুলি বাদ দেওয়া হয়।
প্রতীকের গুরুত্ব
নির্বাচনী প্রতীক কেবল ভোটদানের সুবিধার্থেই নয়, দল ও প্রার্থীদের মূল্যবোধ এবং নীতির প্রতীক হিসেবেও কাজ করে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক প্রতীক জনগণের কাছে বিশেষ অর্থ বহন করে।
নির্বাচনী প্রতীক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।