স্কুলের মধ্যে জোর করে নমাজ পাঠ! ধর্মান্তকরণের চেষ্টা? বরখাস্ত ২ শিক্ষক

রাজস্থানের কোটা জেলার একটি সরকারি স্কুলের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠেছে।রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ার ঘটনার নিশ্চিত করেছেন এবং ‘প্রোমোটেড লাভ জিহাদ’ বলে দাবি করেছেন।দু’জন শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে, একজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

কোটা জেলার সাঙ্গোদ ব্লকের একটি স্কুলের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি হিন্দু সংগঠন অভিযোগ করে।ফিরোজ খান, মির্জা মুজাহিদীন এবং শাবানা নামে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পারিস্তানের একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগেরও অভিযোগ করা হয়।
জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত ও পদক্ষেপ:

তদন্তে দু’জন শিক্ষক, ফিরোজ খান এবং মির্জা মুজাহিদীনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
শাবানার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য:

শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ার একটি ভিডিয়ো বার্তায় ঘটনার নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এক ছাত্রীর ধর্মকে ভুলভাবে ইসলাম বলে উল্লেখ করা হয়েছিল এবং হিন্দু ছাত্রীদের নমাজ পড়তে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।