কৃষক মোর্চার আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়াতে পাঞ্জাবে যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে কৃষকদের উপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ার ঘটনার নিন্দা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ২১ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।আপ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি আন্দোলনরত কৃষকনেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন।লোকসভা ভোটের আগে কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা চাপ বাড়াচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে।মমতার এই সফর বিরোধী জোটের মনোবল বাড়াবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের দাবিদাওয়া ও তাঁদের আন্দোলনের পাশে বরাবরই দাঁড়িয়েছেন।বছর কয়েক আগে কৃষক আন্দোলন চলাকালীনও সিঙ্ঘু সীমানায় কৃষক নেতাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলেন।এই পরিস্থিতিতে সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যদি আবারও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন, তাহলে তা সার্বিকভাবে বিরোধী জোটের মনোবল বাড়াবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবে পৌঁছে অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
কৃষকনেতাদের পাশাপাশি আপ-শাসিত দিল্লি ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও ভগবন্ত সিং মানের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা আছে তাঁর।
লোকসভা ভোটের আগে সিট শেয়ারিং নিয়ে ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরে টানাপড়েন চলছে।মমতার এই বৈঠকগুলিও গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করা-সহ একগুচ্ছ দাবিতে নতুন করে আন্দোলনে নেমেছেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা।
এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতেই পাঞ্জাবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।কৃষকদের উপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মঙ্গলবার মোদী সরকারকেই নিশানা করেন মমতা।কংগ্রেসও এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, ‘সরকার পূর্ণ সহমর্ম