Science: মহাকাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বিশাল স্যাটেলাইট, ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে

ফেব্রুয়ারির বাতাসে ভালোবাসার স্পর্শ, মনে প্রেমের গান আর চারপাশে রোমান্সের আবহ অনুভব করা যায়। যুগলরা পুরো এক সপ্তাহ ‘ভালোবাসা সপ্তাহ’ পালন করে থাকে। তবে যারা সিঙ্গেল, তাদেরও মন খারাপ করার কারণ নেই। কারণ, আজ ১১ ফেব্রুয়ারি, স্যাটিসফায়েড স্টেয়িং সিঙ্গেল ডে; অর্থাৎ সিঙ্গেলেই সুখী দিবস।

টমাস ও রুথ রয় নামের দুজনের উদ্যোগে দিনটির প্রচলন হয়। জানা গেছে, ১৯৯০ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটির যাত্রা শুরু চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেই সময় থেকেই এগারো-এগারো অর্থাৎ ইলেভেন-ইলেভেন তারিখটি ‘সিঙ্গেলস ডে’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির মিংকাওউঝু ছাত্রাবাসের চার বন্ধু আলোচনা করেন, তারা কীভাবে সিঙ্গেল থাকার একঘেয়েমি দূর করতে পারেন। এরপর তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। আর দিনটি হলো ১১ নভেম্বর। এদিন সেই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক তরুণ-তরুণী যোগ দেন।

সিঙ্গেল ব্যক্তিরা মন খারাপ করবেন নাম, কারণ তাদের জীবনে মানসিক চাপ কম থাকে। এটি কেবল সম্পর্কের চাপ নয়, এর সঙ্গে আর কিছু বিষয় জড়িত রয়েছে। আর্থিক চাপ তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন সিঙ্গেল কিংবা অবিবাহিত থাকেন তখন আপনাকে অন্য কারো জন্য চিন্তা করতে হয় না। কিন্তু সম্পর্কে থাকলে সঙ্গীর কথাও ভাবতে হয়। সম্পর্কে জড়ালে জীবনে দায়িত্ব বেড়ে যায়, এটিও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

‘সিঙ্গেলস ডে’-তে রীতি অনুযায়ী চিনের সিঙ্গেল তরুণ-তরুণীরা নিজেরাই নিজেদের জন্য উপহার কেনেন। তবে দিবসটি এখন চীনে সীমাবদ্ধ নেই, বিশ্বজুড়েই পালিত হচ্ছে।

সিঙ্গেলরা চাইলে আজ সুখেই কাটাতে পারবেন নিজের মতো। দিবসটিকে নিজের মতো করে উদ্‌যাপন করতে পারেন। নিজের সময় নিজের মতো কাটাতে পারেন। যা আপনার স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে।