বিশেষ: আয়তনে ক্রমশ ছোট হচ্ছে চাঁদ, উদ্বেগে মহাকাশবিজ্ঞানীরা

খোলা জায়গায় রাখা আঙুরের মতো, চাঁদও ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে। নাসার বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে, যা অনুসারে পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের আয়তন ক্রমশ কমছে।
জোয়ার-ভাঁটায় প্রভাব নেই, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি:
জোয়ার-ভাঁটায় এখনও পর্যন্ত কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ (এপ্রিল) সঠিকভাবেই সম্পন্ন হবে।কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে, চাঁদের আয়তন হ্রাসের ফলে সূর্যগ্রহণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং জ্যোৎস্নার আলোও ফিকে হয়ে যাবে।
চাঁদের আয়তন হ্রাসের কারণ:
নাসার ধারণা, চাঁদের ভূগর্ভস্থ জল ক্রমশ বাষ্পীভূত হয়ে মহাকাশে মিশে যাচ্ছে।এর ফলে চাঁদের উপরিতল সঙ্কুচিত হচ্ছে।দক্ষিণ মেরুর কাছে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।
প্রমাণ:
লুনার রিকনেস্যান্স অরবাইটার ক্যামেরা (২০০৯ থেকে) এবং অ্যাপোলো প্যাসিভ সিজ়মিক এক্সপেরিমেন্টের তথ্য।চন্দ্রপৃষ্ঠে দীর্ঘ চ্যুতিরেখার সৃষ্টি, যা ভূপৃষ্ঠ ভেঙে পড়ার প্রমাণ।
ভারতের অবদান:
ইসরোর চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে অবতরণ করেছে, যেখানে আয়তন হ্রাসের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।এই গবেষণা চাঁদের ভূতত্ত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
চাঁদের আয়তন হ্রাস একটি উদ্বেগজনক বিষয়, যার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পৃথিবীতেও পড়তে পারে। নাসা ও ইসরোর মতো মহাকাশ সংস্থাগুলোর গবেষণা চাঁদের রহস্য উন্মোচন ও ভবিষ্যতের ঝুঁকি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।