‘শহরের মেয়ে আমি, গ্রামে সংসার করব না’,-বউভাতের দিনই রেগে গেলো নতুন বউ

কোচবিহারের তুফানগঞ্জের পলিকা গ্রামে বউভাতের রাতেই নতুন বধূ সংসার করতে অস্বীকৃতি জানান।শহরের মেয়ে বলে গ্রামের সংসার তার পছন্দ নয় বলে জানান তিনি।বর বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করতে আদালতে হাজির হন।
আলিপুরদুয়ারের সূর্যনগরের বাবলি দেবনাথের সঙ্গে পলিকা গ্রামের অমিত দেবনাথের বিয়ে হয়।বিয়ের পর বউভাতের অনুষ্ঠানে বর-কনের ছবি তোলার সময় নববধূ বরের সঙ্গে ছবি তুলতে অস্বীকৃতি জানান।গ্রামের সংসার তার পছন্দ নয় বলে জানান তিনি।কন্যাযাত্রী ও পরিবারের বোঝানোর পরও তিনি সংসার করতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সালিশি বসে।পুলিশি জেরায় নববধূ জানান তিনি জানতেন না তাঁর গ্রামে বিয়ে হবে।
জোর করে সংসার করানোর চেষ্টা করলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন।এরপর বর বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করতে আদালতে হাজির হন।
নববধূ ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষণ:
এই ঘটনাটি সমাজের বর্তমান রীতিনীতি ও মানসিকতার প্রতিফলন।শহর ও গ্রামের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান এই ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে।
বিয়ের পূর্বে পাত্র-পাত্রীর মধ্যে স্পষ্ট যোগাযোগের অভাবও এর জন্য দায়ী।
এই ঘটনাটি আমাদের সমাজের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে।এরকম ঘটনা রোধ করার জন্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।বিয়ের পূর্বে পাত্র-পাত্রীর মধ্যে স্পষ্ট যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।