ইউরিক অ্যাসিড হু হু করে বাড়ে এই ৪ খাবারে, জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা!

শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে হাঁটুতে ব্যথা, ফোলা ও গাঁটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ইউরিক অ্যাসিডের ফলে ডায়বেটিস, রক্তচাপ ও থাইরয়েড হওয়ার বিপদ বেড়ে যায়। প্রত্যেকের শরীরেই ৩.৫ থেকে ৭.২ মিলিগ্রাম প্রতি ডেসিলিটর ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হওয়া জরুরি। এর থেকে বেশি ইউরিক অ্যাসিড হলে হাঁটুতে তা ক্রিস্টলের রূপে জমা হয়। এর থেকে হাঁটুতে ব্যথার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
সঠিক ডায়েটে ইউরিক অ্যাসিড বেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে করা যেতে পারে। খাবারে পিউরিন সমৃদ্ধ জিনিস যোগ করলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে থাকে। ইউরিক অ্যাসিড হল একটি টক্সিন যা খাবার হজমের পর শরীরে তৈরি হয়। কিডনি এই টক্সিনগুলিকে ফিল্টার করে এবং মলের মাধ্যমে অপসারণ করে, কিন্তু যখন এই টক্সিনগুলি একাধিক শরীরের পেশিতে জমা হতে শুরু করে, কিডনি তাদের অপসারণ করতে অক্ষম হয়ে পড়ে। তাই শরীরে কম ইউরিক অ্যাসিড যাতে হয় তার জন্য রাতে এই খাবারগুলি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
রাতে ডাল খাওয়া এড়িয়ে চলুন
যদি শরীরে ইউরিক অ্যাসিড উচ্চ মাত্রায় থাকে তাহলে ডিনারে ডাল খাওয়া একেবারেই এড়িয়ে চলুন। ডালে প্রোটিনের মাত্রা অনেক বেশি থাকে। যার জন্য শরীরে বেশি মাত্রায় শক্তি উৎপাদিত হয়। তাই যাঁদের ইউরিক অ্যাসিড রয়েছে তাঁরা রাতে একেবারেই ডাল খাবেন না।
মিষ্টি খাবার খাবেন না
আপনার যদি হাইপারইউরিসেমিয়ার সমস্যা থাকে, বিশেষ করে রাতে মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। মিষ্টি জিনিস আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। এতে গাঁটের সমস্যা বাড়ে।
রাতে রেড মিট নয়
উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড যুক্ত মানুষদের রাতের খাবারে একেবারেই রেড মিট খাওয়া ত্যাগ করতে হবে। রেড মিট অর্গ্যান মিট, কীমা ও সি ফুডের মতো খাবারে রাতে কখনই খাবেন না। এই ধরনের খাবারে ইউরিক অ্যাসিড খুব দ্রুত বেড়ে যায়।
মদ নয়
ইউরিক অ্যাসিড যাদের আছে তারা যেন ভুলেও রাতে মদ না খান। মদের ফলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। আপনি রাতে খুব বেশি হলে জল খেতে পারেন এতে প্রস্রাব পাতলা হবে এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বেরিয়ে যাবে।