SnapChat: আর্থিক মন্দার প্রভাব, ২০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করবে স্ন্যাপচ্যাট

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ স্ন্যাপচ্যাট তার ২০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি একটি নতুন প্রকল্পও বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে কোন প্রকল্প বন্ধ করা হচ্ছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি স্ন্যাপচ্যাট কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরের বৈশ্বিক আর্থিক মন্দার কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিতই ছিল। স্ন্যাপচ্যাটের এই সিদ্ধান্তের কারণে অন্তত ১ হাজার ২০০ কর্মচারী চাকরি হারাবে। তবে কবে নাগাদ কর্মী ছাঁটাই শুরু করবে স্ন্যাপচ্যাট, সে ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি বিবিসির প্রতিবেদনে।

এক বছর আগে স্ন্যাপচ্যাট কোম্পানিটির মূল্য ছিল ১৩০ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে এর মূল্য কমে দাঁড়িয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলারে।

স্ন্যাপচ্যাট এক বিবৃতিতে বলেছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে স্ন্যাপচ্যাটের বার্ষিক খরচ অন্তত ৫০০ মিলিয়ন ডলার বাঁচবে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ইভান স্পিগেল বলেছেন, ‘খরচ কমানো সত্ত্বেও স্ন্যাপচ্যাটকে সবচেয়ে কম রাজস্ব আয়ের মুখোমুখি হতে হবে।’

আর্থিক সংকট কাটাতে স্পিগেল বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ উপার্জনের দিকে মনোযোগ দিতে চেয়েছিলেন। তবে তাঁর সেই পরিকল্পনা ফলপ্রসূ হয়নি।

স্ন্যাপচ্যাটের মতো মেটা ও টুইটারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোও সম্প্রতি অর্থনৈতিক মন্দার সঙ্গে লড়াই করছে। কারণ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সিংহভাগ আয় আসে বিজ্ঞাপন থেকে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে অনেক বিজ্ঞাপনদাতাই এখন বিজ্ঞাপনের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

এ ছাড়া স্ন্যাপচ্যাট ইতিমধ্যে তার সেবায় কিছু পরিবর্তন এনেছে। এসব পরিবর্তন বিজ্ঞাপনদাতাদের ফোনে ব্যক্তিদের শনাক্ত করা (ট্র্যাক) কঠিন করে তুলেছে। ফলে বিজ্ঞাপনদাতারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

বিবিসি বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোম্পানিগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে অনেক বেশি বিজ্ঞাপণমূল্য দাবি করে। কারণ তাদের কাছে ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে অনেক তথ্য থাকে। সেই তথ্য ছাড়া বিজ্ঞাপনদাতারাও খুব বেশি অর্থ খরচ করতে চান না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *