বাজার থেকে ডিম কিনে ঠকছেন? বাড়ি ফেরার আগে এই ৩টি উপায়ে পরীক্ষা করে নিন!

ডিম আমাদের দৈনন্দিন ডায়েটের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু প্রায়শই বাজার থেকে ডিম কিনে বাড়ি ফেরার পর তা ভাঙলে দেখা যায় ভেতরে ডিমটি পচা বা নষ্ট। এতে একদিকে যেমন টাকা নষ্ট হয়, অন্যদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকিও থাকে প্রবল। এই পরিস্থিতিতে ডিম কেনা নিয়ে ভুক্তভোগীদের জন্য কিছু সহজ ও কার্যকর উপায়ের কথা জানিয়েছেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

কীভাবে বুঝবেন ডিম টাটকা কি না?

চিকিৎসকের মতে, বাজারের ব্যাগ থেকে ডিম বের করার আগেই কিছু ছোট পরীক্ষা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ:

  • জলের পরীক্ষা (Water Test): এটি সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। একটি পাত্রে জল নিন এবং ডিমটি তার ভেতর ছেড়ে দিন।

    • যদি ডিমটি জলের নিচে গিয়ে শুয়ে থাকে, তবে বুঝবেন সেটি একেবারে টাটকা

    • যদি ডিমটি জলের নিচে এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে বুঝবেন সেটি কয়েক দিনের পুরনো।

    • কিন্তু যদি ডিমটি জলের ওপরে ভেসে ওঠে, তবে বুঝে নিতে হবে সেটি পচা বা নষ্ট এবং সেটি একেবারেই খাওয়ার উপযোগী নয়।

  • হালকা ঝাঁকুনি (Shake Test): ডিমটি কানের কাছে নিয়ে হালকা ঝাঁকিয়ে দেখুন। যদি ভেতরে কোনো তরল নড়াচড়া করার শব্দ শোনা যায়, তবে বুঝবেন ডিমটি পুরনো বা ভেতরে বাতাস ঢুকে নষ্ট হয়ে গেছে। একদম টাটকা ডিমের ভেতর থেকে কোনো শব্দ আসে না।

  • খোসার উজ্জ্বলতা: টাটকা ডিমের খোসা সাধারণত খসখসে হয় এবং তাতে উজ্জ্বলতা কম থাকে। অন্যদিকে, পুরনো ডিমের খোসা বেশি মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখায়। অনেক ক্ষেত্রে পচা ডিমের খোসায় কালচে ছোপও থাকতে পারে।

পচা ডিম খাওয়ার বিপদ: চিকিৎসকের সতর্কবার্তা, পচা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া ডিম খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এতে বমি, পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবসময় ডিম ব্যবহারের আগে এই পরীক্ষাগুলো করে নেওয়া ভালো।