প্রেম করায় বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করা হয় কারিনাকে, শেয়ার করলেন স্কুলবেলার ছবি

শ্যুটিংয়ের কাজে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। প্রিয় নায়িকাকে কাছে পেয়ে আপ্লুত বাঙালি ভক্তরা।

প্রত্যেক মুহূর্তে তারা কারিনা কোথায় যাচ্ছেন, কী খাচ্ছেন সেই খবর পেতে উদগ্রীব।

ভক্তদের ভালোবাসায় কারিনা নিজেও বেশ আনন্দিত। কারণ বঙ্গ সফরে এসে বহু পুরনো এক সহপাঠীর সঙ্গে দেখা অভিনেত্রীর।

বৃহস্পতিবার আপ্লুত হয়ে নিজেই সে খবর দিলেন তিনি। ছবি শেয়ার করলেন স্কুলবেলার। সেই ছবি দেখে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলেন স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কারিনার পরিবার-পরিজন।

কারিনার বয়স তখন ১৪ বছর। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের ওয়েলহাম গার্লস স্কুলে পড়ার সময় প্রাণের বন্ধু ছিলেন সেই কালিম্পং কন্যা।

১৯৯৬ সালে স্কুল থেকে একসঙ্গে রাজস্থান ভ্রমণে গিয়েছিলেন কারিনারা। শুটিংস্থল থেকেই সেই স্মৃতি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী। একই ফ্রেমে রয়েছেন সেই বান্ধবীসহ আরও কয়েকজন।

জীবনের ঘোড়দৌড়ে কে কোথায় ছিটকে গিয়েছিলেন খেয়াল ছিল না। এতদিন পর কালিম্পঙে এসে দেখা হলো অভিন্ন হৃদয় দুই বন্ধুর। সেই সঙ্গে এক লহমায় আগল খুলে গেল স্কুলজীবনের স্মৃতির।

একবার একটি সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছিলেন, মা ববিতা তাকে জোর করে বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। কারণটা ছিল আরও মজার।

কিশোরী কারিনার তখন একটি ছেলেকে মনে ধরেছিল। বিভিন্ন বাহানায় কারিনা বেরিয়ে দেখা করতেন তার সঙ্গে। ববিতা বাড়ি না থাকলে তালা বন্ধ করে রেখে যেতেন মেয়েকে।

সেই তালা ভেঙেও বেরিয়ে গিয়েছিলেন একবার, প্রেমের তাড়নায়। এর পরই একাকিনী মা ববিতা আর ঝুঁকি নেননি। মেয়েকে পাঠিয়ে দেন তৎকালীন নাম করা স্কুল দেরাদনের ওয়েলহাম গার্লসে।

তার পর জীবনটা বদলে গিয়েছিল কারিনার। আজ সাফল্যের চূড়োয় পৌঁছে সে কথা বারবার স্বীকার করেন অভিনেত্রী। কাজের জগৎ যেভাবে সামলান, যেভাবে প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন তাও স্কুলেরই শিক্ষায়। সেই সঙ্গে পাওনা ওয়েলহাম কন্যাদের সখ্য, যা আজও ভুলতে পারেননি অভিনেত্রী।

‘লাল সিং চাড্ডা’-র পর এবার কারিনার ওটিটিতে অভিষেক পর্ব। পরিচালনায় সুজয় ঘোষ। জাপানি রহস্য রোমাঞ্চ ঔপন্যাসিক কিগো হিগাশিনোর ‘দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে এই ছবি, যার শুটিং হচ্ছে কালিম্পঙে পাহাড়ের কোলে। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন কারিনা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *