দিপীলের বউ দেখে বিয়ের ইচ্ছে প্রকাশ রুদ্রনীলের, নিজের জন্য কেমন মেয়ে চান অভিনেতা?

বৈশাখের শুরুতে অপ্রত্যাশিত খুশির হাওয়া দিলীপ ঘোষের জীবনে। গত ১৮ এপ্রিল দীর্ঘদিনের সঙ্গী রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ৬১ বছর বয়সে দিলীপবাবুর নতুন জীবন শুরু করা দেখে এবার অনুপ্রাণিত টলিউডের মোস্ট এলিজিবল ব্যাচেলর রুদ্রনীল ঘোষ।

সকলকে চমকে দিয়ে বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা দিলীপ ঘোষ যখন নতুন জীবন শুরু করলেন, তখন চর্চায় উঠে এল বিজেপির আরেক পরিচিত মুখ রুদ্রনীল ঘোষের ব্যক্তিগত জীবনও। ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের কাছে মাঝেমধ্যেই বিয়ের প্রসঙ্গ উঠলেও, ব্যক্তিগত জীবনে প্রেম এলেও এখনও পর্যন্ত তিনি ব্যাচেলরই রয়ে গেছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রুদ্রনীল জানান, অবিবাহিত থাকার জন্য তাঁকে বহু কথা শুনতে হয়েছে। তবে কাজের ব্যস্ততার কারণে অনেকেরই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবার সময় কম থাকে। তবে, সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ হওয়াটা অত্যন্ত আনন্দের ব্যাপার বলে মনে করেন তিনি।

তবে রুদ্রনীল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁরও বিয়ে করার প্রবল ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু এখনই নয়। এই মুহূর্তে তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বেশি চিন্তিত। আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখটা উজ্বল হোক আগে। আন্দোলন, বিপ্লব এগুলো এখন চলছে। সময় এলে বিয়ে করব।’

কেমন হবে তাঁর জীবনসঙ্গী? রাজনীতি নাকি বিনোদন জগৎ, কোন ক্ষেত্র থেকে তিনি তাঁর পাত্রীকে বেছে নেবেন? রুদ্রনীলের উত্তর, ‘যে কেউ হতে পারেন, তবে তাঁকে কর্মরতা হতে হবে।’ তবে বর্তমানে তিনি এই বিষয়ে তেমন মনোযোগ দিচ্ছেন না। তবে দিলীপ ঘোষের বিয়ের খবরে তিনি অত্যন্ত খুশি এবং নবদম্পতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, রিঙ্কু মজুমদার বিজেপির মহিলা মোর্চার একজন সক্রিয় নেত্রী। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজারহাটের বাড়িতে ঘরোয়া পরিবেশে দিলীপ ঘোষ এবং রিঙ্কু সাতপাকে বাঁধা পড়েন। অনুষ্ঠানে বর ও কনে পক্ষের মিলিয়ে প্রায় ৪০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

বিয়ের সন্ধ্যায় রিঙ্কুকে দেখা যায় লাল বেনারসি এবং ভারী গয়নায়। অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষের পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবি ও হলুদ উত্তরীয়। শুভদৃষ্টি থেকে শুরু করে মালাবদল এবং সিঁদুরদান – সমস্ত বাঙালি বিয়ের রীতি মেনেই সম্পন্ন হয় তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান।