IVF নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা ফারহার, মহিলাদের দিলেন শক্তিশালী বার্তা

গর্ভধারণের সমস্যা হলে অনেক মহিলাই চিকিৎসকের সাহায্য নিতে বা IVF (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতির দিকে ঝোঁকেন। তবে, এক সময় ছিল যখন এই পদ্ধতিতে সন্তান ধারণ করাকে নিয়ে সমাজে নানা কটাক্ষ ও কলঙ্ক ছিল। সম্প্রতি, ফারহা খান, যিনি নিজেই IVF-এর মাধ্যমে মাতৃত্ব লাভ করেছেন, একটি অনুষ্ঠানে এসে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং এই পদ্ধতি সম্পর্কে এক সাহসী বার্তা দিয়েছেন।
ফারহা খান, যিনি বর্তমানে দুই কন্যা ডিভা ও অনন্যা এবং এক পুত্র সন্তানের মা, IVF পদ্ধতিতে সন্তান ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সম্প্রতি, একটি অনুষ্ঠানে সঞ্চালিকার ভূমিকায় ছিলেন দেবিনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে দেবিনা তাকে প্রশ্ন করেন, “আপনি তো অনেক আগে IVF-এর সাহায্য নিয়েছিলেন। সেই সময় কীভাবে সমাজের কথা নিয়ে চিন্তা করেননি? কখনো মনে হয়নি যে, লোকজন আপনাকে নিয়ে নানা কথা বলবে?”
ফারহা খান উত্তরে বলেন, “আমি কখনও এই বিষয়টি নিয়ে ভাবি না, যে লোকজন কী বলবে। আমি ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করেছি, আর আমার স্বামী শিরীষ কুন্দে আমার থেকে ৮ বছরের ছোট। তখন অনেকেই ঠাট্টা করেছিল, বলেছিল এই বিয়ে টিকবে না। কিন্তু আমি এসব নিয়ে চিন্তা করিনি। যারা আলোচনা করেন, তারা আমার বাড়ি এসে সাহায্য করতে আসবে না, তাই আমি তাদের কথায় কিছুই মনে করি না।”
View this post on Instagram
ফারহা আরও বলেন, “IVF খারাপ কিছু নয়, এটি একেবারে বৈধ এবং একটি সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি। এবং মনে রাখবেন, বয়স ৪০ বা তার বেশি হওয়া সত্ত্বেও আপনি মা হতে পারেন। গর্ভধারণে সমস্যা শুধু মহিলাদের নয়, অনেক সময় পুরুষদেরও শুক্রাণুর সমস্যা হতে পারে, যা নিয়ে অনেক পুরুষই কথা বলতে চান না। তবে যাঁরা এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন, তাদের আমি গর্বিত। এটা লজ্জার বা লুকানোর কিছু নয়।”
ফারহার এই খোলামেলা আলোচনা সমাজে IVF সম্পর্কে যে মানসিকতা বদলানোর প্রয়োজন আছে, তা স্পষ্ট করেছে এবং মহিলাদের জন্য এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।