সোনার বাজারে পড়েছে পাকিস্তানের প্রভাব, জেনেনিন মূল কারণ কী?

পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংকট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে। ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি রুপির দাম রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারেও।

স্টার্টাপ পাকিস্তানের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি রুপির দাম ইতিহাসের সর্বনিম্ন থাকায় সোনার দাম রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।

অল-পাকিস্তান সারাফা রত্ন ও জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (এপিএসজিজেএ) এর তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ক্যারেট সোনা তোলাপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮,০৫৮ থেকে ৯,৪০০ পাকিস্তানি রুপিতে। আর দশ গ্রামের (এক ভরি) দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার থেকে ২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ পাকিস্তানি রুপি।

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এক ডলার কমে হয়েছে ১,৮৩৬ ডলার। এদিকে ডলারের বিপরীতে একদিন আগে ছিল ২৬৬ পাকিস্তানি রুপি। একদিনের ব্যবধানে তা বেড়ে ২৮৫ পাকিস্তানি রুপিতে পৌঁছেছে।

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা ধারণার চেয়েও খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। গত ৫০ বছরে এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েনি পাকিস্তানিরা। নিত্যদিনের ব্যয় মেটাতে এমনকি জরুরি খাদ্যপণ্য কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি ৩১.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকস (পিবিএস) বলেছে যে, দেশটিতে খাদ্য, পানীয় এবং পরিবহন হিসাবে প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক দাম ৪৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

সূত্র: স্টার্টাপ পাকিস্তান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *