সলমনকে নিয়ে করা মন্তব্যের মাসুল? হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ৯ কোটিতে সম্পত্তি বিক্রি টাইগারের!

সম্প্রতি নিজের ওপর ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির জেরে খবরের শিরোনামে রয়েছে বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের নাম। আর এই ভীতিকর পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই মুম্বইয়ে নিজের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিলেন অভিনেতা। যা নিয়ে বলিপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।

৯ কোটিতে ফ্ল্যাট বিক্রি টাইগারের: সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বইয়ের অভিজাত খার ওয়েস্ট এলাকায় নিজের একটি অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি করে দিয়েছেন টাইগার শ্রফ। ‘রুস্তমজি প্যারামাউন্ট ডি কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি’-র নবম তলায় অবস্থিত ওই ফ্ল্যাটটি বিক্রি হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকায়। প্রায় ১,২৯১ বর্গফুটের এই ফ্ল্যাটটির প্রতি বর্গফুটের দাম পড়েছে প্রায় ৬৪,৮৯১ টাকা। এর জন্য ৫৪ লক্ষ টাকারও বেশি স্ট্যাম্প ডিউটি বা রেজিস্ট্রি ফি দেওয়া হয়েছে। ফ্ল্যাটটির সঙ্গে দুটি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধাও ছিল। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ৭.৬১ কোটি টাকা দিয়ে এই প্রপার্টিটি কিনেছিলেন অভিনেতা। তবে হঠাৎ করে এই সম্পত্তি বিক্রির পেছনে তাঁর মুম্বই ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

টাইগারের ওপর হামলার আসল রহস্য: গত ১৮ অক্টোবর রবিবার রাতে জুহুর পুষ্প পার্ক এলাকার কাছে ফুটবল খেলে বাড়ি ফেরার পথে টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিনেতাকে একঝলক দেখতে ভিড় জমানো সাধারণ মানুষের সুযোগ নিয়েই হামলাকারীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। এই আকস্মিক হামলায় এক অটোচালক আহত হয়ে কুপার হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনার পরের দিনই কোটা থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশি জেরায় ধৃত এক নাবালক জানায়, হামলার সঠিক কারণ সে জানত না। তবে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অনিল পণ্ডিত এই হামলা চালাতে নির্দেশ দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। মূলত ২০২২ সালে সলমন খানকে নিয়ে টাইগার শ্রফের একটি মন্তব্যই এই আক্রোশের মূল কারণ বলে দাবি করা হচ্ছে। সেসময়ে এক সাক্ষাৎকারে টাইগার বলেছিলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রিতে একটাই ‘টাইগার’ আছে, আর তিনি হলেন সলমন স্যার। তাঁর সামনে আমি একটা বিড়াল মাত্র! আমি সিম্বা, একটা বাঘের ছানা…”। যদিও এই দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালাচ্ছে মুম্বই পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *