“রাজদণ্ডকে ভয় পাই না!” এসআইআর ইস্যুতে এবার আর কোনো আপস নয়, সরাসরি মহাযুদ্ধের ডাক

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় নিজেদের অবস্থান আরও কঠোর করে সরাসরি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে অটল থেকে আন্দোলনের গতিপথ আরও তীব্র করার কড়া বার্তা দিলেন সিজেপির শীর্ষ দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস।
শুক্রবার জেল থেকে মুক্তির পর মন্দির মার্গ থানা এলাকার স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (SEM)-এর সামনে একটি পৃথক মামলায় হাজিরা দিতে যান দুই আন্দোলনকারী নেতা। হাজিরা শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিজেপির সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, “আমাদের এই আন্দোলন যেভাবে চলছিল, ঠিক সেভাবেই চলবে। দেশের সাধারণ মানুষ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমরা কেবল সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আমরা যখন বন্দি ছিলাম, তখনও সাধারণ মানুষ এই আন্দোলনকে থামতে দেয়নি।”
শাসকদলের ভূমিকা ও শাসনব্যবস্থার কৌশল নিয়ে তোপ দেগে তিনি আরও বলেন, “গত কয়েকদিনে আমরা বর্তমান ব্যবস্থার আসল চেহারা এবং তাদের কাজ করার ধরণ খুব কাছ থেকে দেখেছি। প্রয়োজন অনুযায়ী আমরাও আমাদের আন্দোলনের কৌশল বদলাব।” খুব শীঘ্রই দলের পরবর্তী পদক্ষেপ ও আন্দোলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, আন্দোলনের সার্বিক গতিপথ নিয়ে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস বলেন, “আগামী দিনের সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করবে না, বরং সবাই মিলে যৌথভাবে ছক কষা হবে। এটি কেবল কোনো একটি দলের লড়াই নয়, বরং দেশের লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ও একাধিক সংগঠন আজ এই অধিকার রক্ষার আন্দোলনে একজোট হয়েছে।”
ক্রাইম ব্রাঞ্চের নতুন সমন কিংবা পরবর্তী শুনানির আগেই আন্দোলনকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার এই বার্তা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়নের সৃষ্টি করেছে।