ফের জেএমবি জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস! বাংলা থেকে আরও এক সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করল এনআইএ

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর শিকড় উপড়ে ফেলতে ফের বড়সড় সাফল্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখার সহায়তায় অতর্কিত অভিযান চালিয়ে বাংলা থেকে এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সীমান্ত সংলগ্ন ও স্পর্শকাতর কয়েকটি এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তদন্তে উঠে আসে, ধৃত ব্যক্তি বেশ কিছুদিন ধরে গা-ঢাকা দিয়ে জঙ্গি সংগঠনের বিস্তার, নতুন সদস্য নিয়োগ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চালাচ্ছিল। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গভীর রাতে তার গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়।
তল্লাশি চালিয়ে ধৃতের কাছ থেকে একাধিক স্মার্টফোন, এনক্রিপ্টেড চ্যাট সমৃদ্ধ মেমরি কার্ড এবং বেশ কিছু উস্কানিমূলক নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, বাজেয়াপ্ত হওয়া মেমরি কার্ড এবং মোবাইল ফোনের ডিজিটাল ডেটা বিশ্লেষণ করলে আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি নেটওয়ার্ক, বিস্ফোরক জোগাড়ের পরিকল্পনা এবং রাজ্যে স্লিপার সেল তৈরির ব্লু-প্রিন্ট সংক্রান্ত বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে পারে।
একনজরে এনআইএ অভিযানের মূল দিকগুলি:
-
সক্রিয় জঙ্গি গ্রেফতার: রাজ্যে জেএমবি মডিউল সক্রিয় করার অভিযোগে আরও এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে নিজেদের জালে পুরল এনআইএ।
-
ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত: নাশকতার ছক ও গোপন যোগাযোগের প্রমাণ পেতে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং মেমরি কার্ড পাঠানো হচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে।
-
সীমান্তপারের যোগসূত্র: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জেএমবি-র আর্থিক লেনদেন এবং স্লিপার সেলের সঙ্গে ধৃতের নিয়মিত যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
ধৃতকে বিশেষ আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা, যাতে এই চক্রের পেছনে থাকা বাকি পাণ্ডাদের দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।