দিল্লিতে নজিরবিহীন ধরপাকড় ও ব্যারিকেড! ‘গণতন্ত্র বিপন্ন হওয়ার ইঙ্গিত’, কড়া বার্তা স্পিকার বিমানের

জাতীয় রাজধানীতে যন্তর মন্তর অভিযান ও প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের নজিরবিহীন ধরপাকড় এবং কড়া পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মানুষ যখন শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের দাবি নিয়ে প্রতিবাদে নামছে, তখন তাদের আটকানোর নামে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এই ধরনের দমনমূলক আচরণ সুস্থ গণতন্ত্রের পক্ষে চরম বিপজ্জনক।
দিল্লির পরিস্থিতি ও কড়া প্রতিক্রিয়া
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ককে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। সেখানে জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা, বন্ধ মেট্রো স্টেশন থেকে শুরু করে ইন্টারনেট পরিষেবা। জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড বসিয়ে আন্দোলনকারীদের আটকে দিচ্ছে পুলিশ।
দিল্লির এই থমথমে পরিবেশ ও গণ-আন্দোলন দমনের ছবি দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান:
-
দেশে গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন করার সাংবিধানিক অধিকার প্রত্যেকের রয়েছে।
-
আন্দোলন রুখতে সীমান্ত সিল করা ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে, তা আদতে গণতন্ত্র ধ্বংসের স্পষ্ট ইঙ্গিত।
-
লড়াই এবং সংগ্রাম স্তব্ধ হয়ে গেলে দেশে গণতন্ত্র আর সুরক্ষিত থাকবে না।
রাজধানী জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা
যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকায় মিছিল এবং বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজপথে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান। বিক্ষোভের আগেই একাধিক নেতৃত্বকে আটক করা হয়েছে। এই পুরো প্রশাসনিক তৎপরতাকে একতরফা ‘দমনপীড়ন’ আখ্যা দিয়ে বিরোধী মহল সোচ্চার হয়েছে। স্পিকারের মতে, জনতার ক্ষোভ ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে বলপ্রয়োগ করে দাবিয়ে রাখা কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের চরিত্র হতে পারে না।