জেল থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপক ও ধ্রুব রাঠি! শর্তসাপেক্ষে ছাড়া পেতেই সিজেপির পরবর্তী পদক্ষেপ কী? জানলে চমকে যাবেন

দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চলা তুমুল নাটকীয়তার মাঝে বড় স্বস্তি। দিল্লি পুলিশের হাতে প্রতিরোধমূলক আটক (প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট) হওয়ার পর অবশেষে রবিবার সকালে এগজেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশেই শেষ পর্যন্ত তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আইনি লড়াই ও ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ
রবিবার সকালে সিজেপি নেতাদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাঁদের বেআইনিভাবে আটক করার যুক্তির বিরুদ্ধে জোরালো প্রশ্ন তোলেন তিনি। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিং আগেই এক্স (পূর্বে টুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছিলেন যে, সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে ওই নেতাদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হবে এবং তিনি নিজে আইনজীবীদের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, শনিবার যন্তর-মন্তরে সিজেপির আন্দোলন চলাকালীন অশান্তির আশঙ্কা থেকেই মুম্বই থেকে দিল্লি আসার পথে বিমানের ভেতর থেকে এই তিন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছিল পুলিশ। সারা রাত তাঁদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও, রবিবার সকালে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাঁরা মুক্তি পান।
শর্তসাপেক্ষে মুক্ত ধ্রুব রাঠি
অন্যদিকে, এই একই আন্দোলনের জেরে শনিবার সকালেই গুরুগ্রামের নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়েছিল জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও। সারা রাত তাঁর কোনো খোঁজ না মিললেও, রবিবার সলিল মুক্তি মিলেছে তাঁরও। তবে তাঁকে সম্পূর্ণ নিঃশর্তভাবে ছাড়া হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, পরবর্তী সময়ে দিল্লির যন্তর-মন্তর চত্বরের ধারেকাছেও ভিড় করতে পারবেন না ধ্রুব রাঠি। এই শর্ত লঙ্ঘন করলেই তাঁর বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একদিকে যখন সিজেপির পরবর্তী ‘যন্তর-মন্তর চলো’ অভিযান ঘিরে রাজধানী জুড়ে চরম উত্তেজনা ও পুলিশি পাহারা বজায় রয়েছে, ঠিক তখনই এই নেতাদের মুক্তি পাওয়ার ঘটনাটি বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।