‘প্লিজ আমার স্বামীকে ছেড়ে দিন,’ কাতর আর্জি ধ্রুবের স্ত্রীর, কীভাবে মুক্ত হলেন ধ্রুব রাঠি?

ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) ডাকা বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। স্বামীর কোনো হদিশ না পেয়ে শনিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম আতঙ্কের কথা প্রকাশ করেছিলেন তাঁর জার্মান স্ত্রী জুলি এলবিআর রাঠি। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গভীর রাত ৩টে নাগাদ মুক্তি দেওয়া হয়েছে ধ্রুবকে। এই ঘটনার পরই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ধ্রুব রাঠি ও তাঁর স্ত্রী জুলির ব্যক্তিগত জীবন।
পুলিশি আটক ও স্ত্রীর আকুতি: শনিবার গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পথেই ধ্রুব রাঠিকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। স্বামীর ফোন বন্ধ থাকা এবং বন্ধুদের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ না করতে পেরে শনিবার রাতে ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি পোস্ট করেন জুলি। তিনি লেখেন, ‘ওঁর ফোন বন্ধ। ওঁর সব বন্ধুদেরও ফোন বন্ধ। কাউকে যোগাযোগ করতে পারা যাচ্ছে না। দিল্লি পুলিশ দয়া করে আমার স্বামীকে ছেড়ে দিন।’ শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কে এই জুলি এলবিআর রাঠি? ধ্রুব রাঠির স্ত্রী জুলি আদতে জার্মানির নাগরিক। তিনি পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ২০১৪ সালে জার্মানিতে একটি ট্রামের মধ্যে প্রথম দেখা হয়েছিল ধ্রুব ও জুলির। সে সময় জার্মানিতে ইন্টার্নশিপ করছিলেন ধ্রুব, আর জুলি ছিলেন ছাত্রী। ট্রামের সেই প্রথম পরিচয় দীর্ঘ সাত বছরের সম্পর্কে রূপ নেয় এবং ২০২১ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের তিন বছর পর তাঁদের কোল আলো করে আসে প্রথম সন্তান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় মুখ: ইনস্টাগ্রামে দারুণ সক্রিয় জুলি, যেখানে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার। ধ্রুবর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিডিওগুলির বিপরীতে জুলি প্রধানত ভ্রমণ এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত ভ্লগ তৈরি করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তাঁরা একসঙ্গে শেয়ার করেন অনুরাগীদের সঙ্গে। ধ্রুবর রাজনৈতিক বিশ্লেষণের বাইরে এই দম্পতির ব্যক্তিগত জীবনের নানা সুন্দর মুহূর্ত দেখার জন্য সবসময়ই মুখিয়ে থাকেন নেটিজেনরা।