দু’বার বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দিয়েও মারতে পারল না জল্লাদরা! মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে চোখ খুলতেই চরম চাঞ্চল্য

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য শরীরে দু’দফায় প্রবেশ করানো হয়েছিল প্রাণঘাতী বিষাক্ত রাসায়নিক ইঞ্জেকশন। কিন্তু সমস্ত হিসেবনিকেশ উল্টে দিয়ে সেই চরম মৃত্যুর মুখ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন এক বন্দি। আমেরিকার টেনেসি অঙ্গরাজ্যে ঘটা এই নজিরবিহীন ঘটনা বিশ্বজুড়ে বিচার ও কারা ব্যবস্থাকে রীতিমতো কাঠগড়ায় তুলে দিয়েছে।

বিষাক্ত ইঞ্জেকশনের পরেও অলৌকিক জীবন

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ক্রিস্টা পাইক নামের ওই বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু সেই বিষাক্ত রাসায়নিকের প্রভাব তাঁকে মারতে পারেনি, উল্টে তিনি গভীর কোমায় চলে যান। টানা কয়েক দিন ধরে তাঁর মস্তিষ্কের কোনো সাড়াশব্দ না মেলায় চিকিৎসকরাও তাঁকে মৃতপ্রায় হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে মঙ্গলবার হঠাৎই তাঁর জ্ঞান ফেরে।

জ্ঞান ফিরেই যা বললেন বন্দি

দীর্ঘ অচৈতন্য অবস্থা কেটে যাওয়ার পর হাসপাতালের বিছানায় চোখ খুলেই বিভ্রান্ত ক্রিস্টা পাইক প্রশ্ন করেন, “আমি কোথায়? আপনারা কারা?” জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে অপরাধের দায়ে ডেথ রো-তে বন্দি থাকা এই নারীর ওপর চালানো মৃত্যুদণ্ডের এই ব্যর্থতার জেরে টেনেসির গভর্নর সমস্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছেন এবং কারা প্রধান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মৃত্যুর দরজা থেকে ফিরে আসা এই বন্দির অবিশ্বাস্য বেঁচে থাকার খবর এখন আন্তর্জাতিক মহলে টক অফ দ্য টাউন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *