“আম্বানি কি তবে ভারতের বস?” লাইসেন্স জট নিয়ে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিলেন ইলন মাস্ক!

ভারতের বাজারে স্টারলিঙ্কের বাণিজ্যিক লাইসেন্স পাওয়া নিয়ে জটিলতা কাটছে না। সমস্ত নিয়মকানুন ও শর্ত মেনে চলার পরেও কেন তাঁদের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার লাইসেন্স আটকে রাখা হয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক। আর এর নেপথ্যে কোনো প্রভাবশালী শিল্পপতির হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে তাঁর খোঁচা ঘিরে জাতীয় রাজনীতি ও প্রযুক্তি মহলে তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে।
৫ বছর ধরে নিয়ম মেনেও কেন মিলছে না লাইসেন্স?
এক্স (প্রাক্তন টুইটার) হ্যান্ডেলে একাধিক পোস্ট করে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইলন মাস্ক। তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছর ধরে স্টারলিঙ্ক ভারতের সমস্ত আইন ও নিয়মকানুন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছে। বিশ্বের ১৬৫টিরও বেশি দেশে তাঁদের পরিষেবা চালু থাকলেও ভারতেই এই দীর্ঘসূত্রিতা কেন?—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। মাস্কের অভিযোগ, দেশের কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বা একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখতে চাওয়া মহলই তাঁদের আটকে দিচ্ছে।
আম্বানিকে নিয়ে সরাসরি কটাক্ষ ও সরকারের সাফাই
একটি পোস্টে মাস্ক সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে লেখেন, “ভারতের সব নিয়ম আমরা মেনে চলেছি। তা সত্ত্বেও কেন লাইসেন্স নেই? আম্বানিই কি তবে ভারতের আসল বস?”
অন্যদিকে, মাস্কের এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রক। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন সহ সমস্ত টেলিকম পরিষেবার জন্য একটি স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন নীতি রয়েছে। ইউজারদের ডেটা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রতিটি সংস্থার যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে স্টারলিঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতের জন্য ইতিমধ্যেই ২০টি গেটওয়ে সাইট তৈরি করা হয়েছে এবং সমস্ত ডেটা ভারতেই রাখা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও লাইসেন্স পাওয়ার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় মাস্কের বিস্ফোরক মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও বেশি রোমাঞ্চকর করে তুলেছে।