শরীর থেকে বের হলো আস্ত পাথর! कानपुरের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে

হাতুড়ে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় বড় বিপত্তি! পাইলস সারাতে গিয়ে শরীরে গেঁথে গেল দেড় কেজির পাথর, দীর্ঘ অপারেশনে বাঁচল প্রাণ
উত্তরপ্রদেশের কানপুর থেকে এক অত্যন্ত অদ্ভুত ও লোমহর্ষক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। একজন হাতুড়ে হেকিমের ভুল ও অবৈজ্ঞানিক পরামর্শে বवासीর বা পাইলসের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এক ব্যক্তির জীবন একেবারে সঙ্কটে পড়েছিল। ব্লগে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে এক হাতুড়ের কথামতো একটি দেড় কেজি ওজনের গোল পাথর দিয়ে পাইলসের সেঁক দিচ্ছিলেন। আর সেঁক দেওয়ার সময়ই অসাবধানতাবশত ওই ভারী পাথরটি তার শরীরের ভেতরে ঢুকে আটকে যায়।
প্রাথমিকভাবে বিষয়টি নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়লেও লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু ক্রমশ ব্যথা অসহ্য হয়ে ওঠায় এবং চলাফেরা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা এক্স-রে করার পর পুরো বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর ডা. প্রশান্ত কুমার মিশ্রের নেতৃত্বে একদল অভিজ্ঞ চিকিৎসক ঘণ্টার পর ঘণ্টা জটিল অস্ত্রোপচার করে অবশেষে রোগীর শরীর থেকে ওই দেড় কেজির পাথরটি সফলভাবে বাইরে বের করেন। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো হাসপাতালে না পৌঁছলে রোগীর প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারত। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে হাতুড়ে ডাক্তারদের পাল্লায় পড়ে অবৈজ্ঞানিক উপায়ে চিকিৎসা করানোর পরিণাম কতটা মারাত্মক হতে পারে।